বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা জোরদার লালমনিরহাটে পুলিশের মতবিনিময় সভা পঞ্চগড়ে রাস্তার পাশের খালে ব্যবসায়ীর মরদেহ, তদন্তে পুলিশ-সিআইডি গাজীপুরে চোরাই গরু উদ্ধার করে বিপাকে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ আদর্শ ইসলামিক ক্যাডেট স্কুলের অভিভাবক সমাবেশ, ফলাফল প্রকাশ ও পুরস্কার বিতরণী ৯ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু, একই শ্মশানে পাশাপাশি চিতা বকশীগঞ্জে শ্বশুরবাড়িতে ডেকে নিয়ে যুবককে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ! পঞ্চগড় পৌরসভায় ২৭টি ডাস্টবিন বিতরণ তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও তথ্য না পাওয়ার অভিযোগ, পঞ্চগড়ে ক্ষুব্ধ সংবাদকর্মীরা পঞ্চগড়ে সুইসগেট ভাঙার এক বছরেও হয়নি সেতু, দুর্ভোগে হাজার হাজার মানুষ নজরুল বর্ষের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান শিবরাম স্কুলের নুহা
নীলফামারীতে ছেড়া কাপড়, বেঞ্চ দিয়ে ভোটের গোপন কক্ষ, বরাদ্দ টাকা লোপাট

নীলফামারীতে ছেড়া কাপড়, বেঞ্চ দিয়ে ভোটের গোপন কক্ষ, বরাদ্দ টাকা লোপাট

নীলফামারী প্রতিনিধি :: নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের গোপন কক্ষ ছেড়া নিম্নমানের কাপড় আর ভাঙা বেঞ্চ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। এতে বরাদ্দের টাকা সঠিক ব্যবহার না করে আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

কিশোরগঞ্জ ও সৈয়দপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত নীলফামারী ৪ আসন। এ আসনের কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ৭৮ টি ভোট কেন্দ্রে ৪১৯ টি গোপন কক্ষের মধ্যে অধিকাংশ ছেড়া ফাটা, নিম্নমানের কাপড় ও ভাঙা বেঞ্চ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। প্রতি গোপন কক্ষের জন্য ১২০০ টাকা বরাদ্দ থাকলেও নিয়ম অনুযায়ী গোপন কক্ষ তৈরি করা হয়নি।


সরেজমিনে দেখা যায়, পুটিমারি ইউনিয়নের ভেড়ভেড়ি মাঝাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ ভেড়ভেড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, মুশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বড়ভিটা এ ইউ বহুমুখী ফাজিল মাদ্রাসাসহ অধিকাংশ কেন্দ্রের গোপন কক্ষের পর্দা হিসেবে ছেড়া ফাটা পুরোনো কাপড় ব্যবহার করা হয়েছে। কক্ষের কাঠামো তৈরি করা হয়েছে ভাঙা নড়বড়ে তক্তা দিয়ে। এতে ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ ও নিরাপত্তাহীনতা দেখা গেছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী গোপন কক্ষ করার কথা থাকলেও সেটি করা হয়নি।

ভোট দিতে আসা নাসির উদ্দিন বলেন, আমি গোপন কক্ষে গিয়ে ব্যালটে সিল মারতে গেলাম, সেখানে শুধু এক টুকরা কাপড় দিয়েছে বাহির থেকে সবকিছু বুঝা যাচ্ছে। এভাবে করলে আমরা গোপনে ভোট দিতে পারি না।

আরেক ভোটার নাসিমা বেগম বলেন, ভোটকেন্দ্র গোপন কক্ষ তৈরি করা হয়েছে পুরোনো কাপড় আর ভাঙা বেঞ্চ দিয়ে। বেঞ্চগুলো উল্টো করে দিয়েছে ওখানে ভোট দিতে যাব কীভাবে পরিবেশ দেখে যাওয়ার মতো না।

দক্ষিণ ভেড়ভেড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পিজাইটিং কর্মকর্তা ও মুশরুত পানিয়ালপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুস বলেন, সময় স্বল্পতার কারণে তাড়াহুরো করে করা হয়েছে। তা ছাড়া যা পেয়েছি সেটি দিয়ে দিসি।

ভেড়ভেড়ি মাঝাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিজাইটিং কর্মকর্তা ও রনচন্ডী স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোশফেকুর রহমান বলেন, গতকাল এসে ডেকোরেশনের লোকজনকে বলেছিলাম তারা পুরোনো কাপড় দিসে আর কিছু বেঞ্চ দেওয়া হয়েছে। গোপন কক্ষ কেউ তদারকি করেনি।


উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা তকদির আলী সরকার বলেন, কেন্দ্রে গোপন কক্ষ পিজাইটিং কর্মকর্তারা করেছেন। সেখানে কোন ধরনের অনিয়ম করে টাকা আত্মসাৎ করা হয় সেটি রির্টানিং কর্মকর্তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবেন।

উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়া বলেন, সরকারি বরাদ্দ তাদেরকে যেটা দেওয়া হয়েছে সেটা সব কাজ করতে হবে। ভোটের দিন জানান নি আর বিষয়টা আমি জানি না। আমি কয়েকটিতে ঘুরেছি, মোটামুটি ভালো পেয়েছি। বিষয়টি জানালেন খোঁজ খবর নেবো।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com