মনজু হোসেন, পঞ্চগড় প্রতিনিধি:: পঞ্চগড় সদর উপজেলায় হাতুড়ে ধাত্রীর ভুল চিকিৎসায় এক নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নবজাতকের পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার ০৪ জানুয়ারী রাতে সন্ন্যাসী পাড়া গ্রামের গৃহবধূ শিমু-এর প্রসব বেদনা শুরু হলে পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় ধাত্রী ও পল্লী চিকিৎসক ফার্মাসিস্ট আমিনা বেগম-কে ডেকে আনেন। অভিযোগ রয়েছে, প্রসবের সময় ধাত্রী ও পল্লী চিকিৎসক ফার্মাসিস্ট আমিনা বেগম প্রয়োজনীয় সতর্কতা ও সঠিক চিকিৎসা না দিয়ে জোরপূর্বক ঝুঁকিপূর্ণভাবে প্রসব করানোর চেষ্টা করেন। এতে নবজাতক গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় জন্ম নেয় এবং কিছুক্ষন পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ভোর বেলায় তাকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক নবজাতককে মৃত ঘোষণা করেন।
নবজাতকের স্বজনদের অভিযোগ, প্রসবকালীন জটিলতা দেখা দিলেও ধাত্রী ও পল্লী চিকিৎসক আমিনা সময়মতো হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেননি এবং জোরপূর্বক প্রসব করায় এতে নবজাতকের প্রাণহানি ঘটে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত ধাত্রী ও পল্লী চিকিৎসক ফার্মাসিস্ট আমিনা বেগমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন মৃত নবজাতকের পরিবার।
ধাত্রী ও পল্লী চিকিৎসক আমেনা বেগম জানান, আমি ব্রাক থেকে প্রসূতিদের ডেলিভারি করানো বিষয়ে ১২ দিনের প্রশিক্ষণ নিয়ে কাজ করছি। প্রসব করনোর সময়ে নবজাতক মারা যায়নি। তাছাড়া ঐ পরিবারের সাথে আমারা আপোষ করে নিয়েছি।
পঞ্চগড় সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (অতিঃ) ডাক্তার খায়রুল ইসলাম জানান, হোম ডেলিভারি করা এটা গ্রহনযোগ্য না আর ১২ দিন ট্রেনিং করে ডেলিভারি করা গুরুতর অপরাধ।
Leave a Reply