বিজ্ঞাপন:
 
সংবাদ শিরোনাম:
বিবিসি বাংলাকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে মাহদীর লিগ্যাল নোটিস জামায়াত নেতার ড্রয়িংরুমে মিলল মিনি পেট্রোল পাম্প লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার হাদির সঙ্গে কনটেন্ট ক্রিয়েটর কাফিকেও হত্যার নির্দেশ দেওয়া হয় চরফ্যাশনে ২৮৮ পরিবার পেল ফ্যামিলি কার্ড,‎ দরিদ্র পরিবারের মুখে হাসি প্রাথমিক বৃত্তিতে ৮০–২০% কোটা: মেধার স্বীকৃতি নাকি শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন বৈষম্যের সূচনা? ‎কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির প্রতিবাদ: পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রকল্পে নেতাদের জড়ানোর অভিযোগ ভিত্তিহীন লালমনিরহাটে জামিনের পর ডিবির হাতে আ/ট/ক আ. লীগ নেতা, আবারও পেলেন জামিন জীবিত থাকা সত্ত্বেও এনআইডিতে মৃত চরফ্যাশনের ইসমাইল ‎ নেশার টাকার জন্য শ্বশুরবাড়ির স্বর্ণালংকার লুট, জামাতা ও তার বাবা আটক
সর্বমহলে প্রত্যাশা হাসিনার ফাঁসি

সর্বমহলে প্রত্যাশা হাসিনার ফাঁসি

অনলাইন ডেস্ক: জুলাই বিপ্লবে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে নির্বিচারে গুলি করে, পুড়িয়ে গণহত্যা চালানো হয়। দুই হাজার ছাত্র-জনতাকে হত্যাসহ ৪০ হাজার মানুষকে পঙ্গু করা হয়। সবগুলোই হয়েছে ভারতে পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচার শেখ হাসিনার নির্দেশে এমন দাবি আইনজীবীদের।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তা প্রমাণিত বলেও তাদের বক্তব্য। মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিচারের রায় আজ ঘোষণা করা হবে। শহীদ পরিবার, আহত যোদ্ধা, রাজনীতিবিদ ও দেশের সর্বমহলের সচেতন মানুষের প্রত্যাশা গণহত্যার দায়ে অভিযুক্ত মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য হাসিনাসহ সবার সর্বোচ্চ শাস্তি (ফাঁসি) দেওয়া হবে। এরপর অন্তর্বর্তী সরকারের সবচেয়ে বড় কাজ হবে তাদের দেশে এনে দ্রুত রায় কার্যকর করা।

শহীদ শফিক উদ্দিন আহমেদ আহনাফের বাবা নাসির উদ্দিন আহমেদ বলেন, “স্বৈরাচার শেখ হাসিনার নির্দেশে আমার সন্তানকে মিরপুরে নিষ্ঠুরভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। হাসিনার নির্দেশেই আমার সন্তান খুন হয়েছে। আজকে হাসিনার রায় দেওয়া হবে। আমরা চাই হাসিনাকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হোক। জনসম্মুখে হাসিনার ফাঁসি কার্যকর করার রায় দেওয়া হোক। শুধু আমি কেন, আমার সন্তানের মতো ২০২৪ সালে আরও প্রায় দুই হাজার মানুষকে খুন করা হয়েছে, ৪০ হাজার মানুষকে আহত করা হয়েছে। হাসিনার পতনে প্রতিটি ঘর থেকে মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে। সারা দেশের মানুষ চায় হাসিনার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হোক।”


শহীদ নাফিজের বাবা মো. গোলাম রহমান বলেন, “আজ খুনি হাসিনার রায় ঘোষণা হবে। হাসিনাসহ খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তির রায় হবে এটাই সবার প্রত্যাশা। শুধু আমি নই, পুরো জাতি চায় হাসিনার ফাঁসি। এতদিন হয়ে গেলেও কেন হাসিনাকে ভারত থেকে এনে ফাঁসি দেওয়া হলো না এই কষ্ট আমরা আর সহ্য করতে পারছি না। আমার ছেলে নাফিজ একজন ছাত্র। অধিকার আদায়ের জন্য রাস্তায় নেমেছিল। আপনারা সেই ছবি দেখেছেন, কীভাবে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর একজন রিকশাচালক তাকে রিকশার পাদানিতে ঝুলিয়ে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিল। সেই দৃশ্য সারাদেশকে কাঁদিয়েছে। এখন সারাদেশের মানুষ অপেক্ষায় আছে হাসিনার ফাঁসির রায় দেখার।”

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, “আমরা শেখ হাসিনার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা করছি। হাসিনার ফাঁসির রায় প্রত্যাশা করছি। স্বৈরাচার হাসিনা যে মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছেন, তা ইতিহাসে একটি জঘন্যতম কাজ। নিকৃষ্ট অপরাধের মধ্যে এটি দ্বিতীয় এবং পৃথিবীর কোথাও এর নজির নেই। জুলাই বিপ্লবে হাসিনার সরাসরি নির্দেশে প্রায় ২ হাজার মানুষকে গণহত্যা চালিয়ে খুন করা হয়েছে। বাংলাদেশকে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। হাসিনার সর্বোচ্চ শাস্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে গণহত্যার দুঃসাহস আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করতে হবে।”

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, “শেখ হাসিনার বিচারের বিষয় আদালতের। বিএনপি আদালতের ওপর আস্থা রাখে। মানবতাবিরোধী কাজের জন্য মানুষ হত্যার ঘটনায় দেশের জনগণ সুষ্ঠু বিচার চায়। সরকার প্রথম থেকেই ফ্যাসিবাদের বিষদাঁত ভেঙে ফেলা উচিত ছিল। সেটা হলে ভারতে বসে হাসিনার নির্দেশে কেউ গাড়িতে আগুন দেওয়া বা ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করার সাহস পেত না। এখনও প্রত্যাশা করি, হাসিনার বিচারের মাধ্যমে এসব নিয়ন্ত্রণ হবে।”

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এডভোকেট ড. হেলাল হেলাল উদ্দিন জনকণ্ঠকে বলেন, “হাসিনা প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে চব্বিশ তারিখে গণহত্যা চালিয়েছেন। সেগুলো এখন দেশের মানুষের কাছে অনেকটাই প্রমাণিত। শুধু আমরা কেন, সারা দেশের মানুষ চায় গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হোক। ফাঁসি দেওয়া হোক। এ দেশের লাখো মানুষের সেই প্রত্যাশাকে জামায়াতে ইসলামী সমর্থন জানায়। লাশ পুড়িয়ে ফেলার মতো জঘন্যতম কাজও হাসিনার নির্দেশে হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গণহত্যার যে বিষয়গুলো প্রমাণিত হয়েছে, তার আলোকে শহীদ পরিবারসহ দেশের সর্বমহলের মানুষ হাসিনার ফাঁসি প্রত্যাশা করে।”

ফরেন পলিসি সর্বপ্রথম সংস্কার করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান: মাহদী আমিন
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, “আমরা সর্বোচ্চ শাস্তি আদালতের কাছে প্রেয়ার করেছি। শেখ হাসিনার নির্দেশে হওয়া অপরাধগুলো স্পষ্ট। আদালত তার সুবিবেচনা প্রয়োগ করবেন। আমাদের পক্ষ থেকে প্রেয়ার হচ্ছে এই অপরাধের দায়ে আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা দেওয়া হোক।”

সূত্র: জনকণ্ঠ


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com