বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
সৈয়দপুরে ট্রান্সফরমার মেরামতকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মই থেকে পড়ে নেসকো কর্মীর মৃত্যু কুমিল্লা দেবীদ্বারে ৩৭ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার-১ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মন্দিরে চুরি, স্বর্ণালংকারসহ ছয়টি মূর্তি লুট গাইবান্ধায় ৬ ঘন্টা ধরে পড়ে আছে বাবার মরদেহ, সম্পত্তির ভাগ নিয়ে ভাই-বোনের বিরোধ! নবীনগরে ব্রিজ আছে, নেই সংযোগ সড়ক—ভোগান্তিতে তিন ইউনিয়নের মানুষ স্কুলছাত্রী তাজমিন হত্যা, কক্সবাজারের সেই প্রেমিক রাজু গ্রেপ্তার দিনে ভাসমান দোকান, রাতে অপরাধের অভিযোগ—মাওনা ফ্লাইওভারের নিচে উদ্বেগ লালমনিরহাটে ধরলা নদীতে গৌরীশংকর গোশালা সোসাইটির উদ্যোগে শুভ মহালয়া উদযাপন ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন ও পানির ন্যায্য হিস্যা দিয়ে ভারতকে বন্ধুত্বের প্রমাণ দিতে হবে: প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ লালমনিরহাটে ধরলা নদীতে গৌরীশংকর গোশালা সোসাইটির উদ্যোগে শুভ মহালয়া উদযাপন
এবার ভারতের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছে জাতিসংঘ

এবার ভারতের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছে জাতিসংঘ

ডেস্ক রিপোর্ট:: ভারতের বিরুদ্ধে মায়ানমার থেকে আসা ৪০ জন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে সমুদ্রে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ভয়াবহ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে জাতিসংঘ।

জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা বলছে, ভারত সরকার সম্প্রতি মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করছে। এর অংশ হিসেবে দিল্লিতে বসবাসকারী কয়েক ডজন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আটক করা হয়। এদেরমধ্যে প্রায় ৪০ জন শরণার্থীকে সাগরে ফেলে দেওয়া হয়।

ফেলে দেওয়ার আগে তাদেরকে চোখ বেঁধে আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে ভারতীয় নৌবাহিনীর একটি জাহাজে তোলা হয়। এরপর জাহাজটি আন্দামান সাগর পার হলে শরণার্থীদের লাইফ জ্যাকেট পরিয়ে ফেলে দেওয়া হয় এবং মিয়ানমারে সীমানার অভ্যন্তরে একটি দ্বীপে সাঁতার কেটে চলে যেতে বাধ্য করা হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শরণার্থীরা সম্ভবত সাঁতর কেটে দ্বীপে পৌঁছেছেন, তাদের তাদের বর্তমান অবস্থা এবং তারা কোথায় আছেন তা জানা যায়নি।

শুধু তাই নয়, ভারতের আসাম রাজ্যের একটি ডিটেনশন সেন্টার থেকে প্রায় ১০০ জন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে সরিয়ে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী কোনো জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জোর করে প্রত্যর্পণের যেকোনো প্রচেষ্টা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে বলে জানিয়েছন জাতিসংঘ।

এই ঘটনা তদন্তে একজন বিশেষজ্ঞ নিযুক্ত করেছে জাতিসংঘ। পাশাপাশি ভারত সরকারকে সতর্ক করেছে, যেন ভবিষ্যতে কোনো শরণার্থীর সঙ্গে এমন অমানবিক আচরণ না করা হয়।

জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার আইনজীবীরা জানিয়েছেন, আটক ব্যক্তিদের আইনের ২২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আদালতে পেশ করা হয়নি, যা ভারতের সংবিধান লঙ্ঘন করে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com