রঙিন পোস্টারে জনদরদি সাজা, কেউ কোট-টাইয়ে, কেউ টুপিতে—নিজেকে জনতার আপনজন হিসেবে তুলে ধরার প্রতিযোগিতা! কিন্তু প্রচারণার চাকচিক্যের বাইরে জনসম্পৃক্ততা, গ্রহণযোগ্যতা ও জনসেবার বাস্তব চিত্র কতটা? ভোটের মাঠে শেষ পর্যন্ত প্রতিফলিত হবে কি জনসমর্থন?

শারদীয় দুর্গোৎসব ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শুরু হয়েছে রংবেরঙের শুভেচ্ছা পোস্টার প্রকাশের হিড়িক। রাজনৈতিক দলের নেতা, জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ীসহ নানা পেশার মানুষ যেমন শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন, তেমনি সম্ভাব্য আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবেও নিজেদের জানান দিচ্ছেন অনেকে।
শুধু শুভেচ্ছা জানানোই নয়, পোস্টারের মাধ্যমে নিজেদের জন্য দোয়া ও সমর্থনও চাইছেন কেউ কেউ। উন্নয়নের জোয়ার, মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার, নানা প্রতিশ্রুতি আর আকর্ষণীয় বাণীতে সাজানো হচ্ছে পোস্টার। অথচ পোস্টারের একেবারে নিচে লেখা—‘প্রচারে: ওয়ার্ডবাসী’, ‘ইউনিয়নবাসী’ কিংবা ‘সর্বস্তরের জনসাধারণ’!
ব্যাপারটা অনেকটা নিজের ঢোল নিজে পেটানোর মতোই। প্রচার করছেন নিজেরাই, অথচ প্রচারের কৃতিত্বটা দিয়ে দিচ্ছেন এলাকাবাসীর নামে! প্রশ্ন হলো, সত্যিই কি এলাকাবাসী তাঁদের হয়ে প্রচার করছেন, নাকি নিজেরাই নিজেদের সম্ভাব্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছেন?

এখন অবশ্য পোস্টার তৈরি করা খুবই সহজ। হাতের মুঠোয় স্মার্টফোন, আর প্রযুক্তির জাদু এআই! ছবির কারসাজিতে এমন এক আজব খেলা চলছে যে, সাধারণ ছবিও হয়ে উঠছে সিনেমার নায়কের মতো ঝকঝকে। বাস্তবের চেহারার সঙ্গে পোস্টারের ছবির মিল খুঁজতে গিয়ে অনেক সময় পরিচিত মানুষকেও চিনতে কষ্ট হয়!
ফলে কয়েক দিনের মধ্যেই শত শত রঙিন পোস্টারে ছেয়ে যাচ্ছে ফেসবুকের ওয়াল। দেখে মনে হয়, সবাই যেন জনসেবায় নিবেদিতপ্রাণ, সততা ও যোগ্যতায় অনন্য, নীতি-নৈতিকতায় একাই একশ! কেউ বহুগুণের অধিকারী, কেউ সাবেক পদে থেকে সফলতার দাবিদার, আবার কারও নামের আগে-পরে পদ-পদবি আর বিশেষণের যেন শেষ নেই।
কারও পরনে কোট-টাই, চোখে রঙিন চশমা; কারও পরনে পাঞ্জাবি, মাথায় টুপি-পাগড়ি কিংবা লম্বা জোব্বা। ছবির সাজসজ্জা আর পোস্টারের ভাষায় সবাই গরিবের বন্ধু, অসহায় মানুষের আশ্রয়, মেহনতি মানুষের কণ্ঠস্বর এবং জনদরদি সমাজসেবক!
কিন্তু প্রশ্ন হলো—পোস্টারে নিজেকে যেভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, বাস্তবেও কি তাঁরা তেমন?
দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানানো নিঃসন্দেহে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার সুন্দর প্রকাশ। কিন্তু সেই শুভেচ্ছার আড়ালে যদি নিজের পরিচিতি বাড়ানো, জনপ্রিয়তার কৃত্রিম আবহ তৈরি করা কিংবা ভবিষ্যতের নির্বাচনী প্রচারণার ক্ষেত্র প্রস্তুত করাই মুখ্য উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে সেটিকে নিছক শুভেচ্ছা বলা যায় কি?
এক ঢিলে দুই পাখি মারার মতো—একদিকে দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা, অন্যদিকে নিজের প্রচার-প্রসারের চিন্তায় ব্যস্ত! যেন শখে, আবেগে আর আত্মপ্রচারের প্রতিযোগিতায় নিজেই শুধু যোগ্য, নিজেই শুধু সেরা!

ফেসবুকে চোখ রাখলেই এমন অনেক পোস্টার দেখা যায়, যেগুলোর চাকচিক্য দেখে চোখ কপালে ওঠে। কারও পোস্টারে কোট-টাই পরা ঝকঝকে ছবি, কারও ছবিতে ধর্মীয় পোশাকের গাম্ভীর্য, আবার কারও পরিচিতির তালিকায় এত বিশেষণ যে, মনে হয় জনসেবার সব কৃতিত্ব যেন তাঁর একার!
প্রযুক্তির কল্যাণে এআই দিয়ে তৈরি বা সম্পাদিত ছবিতে নিজেকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা এখন সহজ। কিন্তু ছবির চাকচিক্য দিয়ে কি মানুষের আস্থা অর্জন করা যায়? কৃত্রিম ছবিতে ব্যক্তিত্ব ফুটিয়ে তোলা সম্ভব, কিন্তু বাস্তব জীবনের কর্ম, সততা ও যোগ্যতার বিকল্প তৈরি করা সম্ভব নয়।
আরেকটি বিষয়ও চোখে পড়ে—ব্যক্তিগত জীবনাচরণ, ধর্মীয় অনুশীলন কিংবা সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে পোস্টারে প্রদর্শিত পরিচয়ের কতটা মিল, সেটিও আলোচনার বিষয়। কেউ ধর্মীয় পোশাকে নিজেকে উপস্থাপন করছেন, কেউ জনদরদি হওয়ার বার্তা দিচ্ছেন। অথচ প্রকৃত পরিচয় তো পোশাকে নয়, আচরণে; ধর্মীয় পরিচয়ের প্রদর্শনীতে নয়, সততা ও মানবিকতায়।
টুপি-পাঞ্জাবি পরলেই ধার্মিক হওয়া যায় না, কোট-টাই পরলেই যোগ্য নেতৃত্বের প্রমাণ মেলে না, আর পোস্টারে নিজেকে গরিবের বন্ধু লিখলেই কেউ গরিবের বন্ধু হয়ে যান না।
ধর্মীয় পোশাক পরা বা নিজের ছবি দিয়ে শুভেচ্ছা জানানোয় আপত্তি নেই। আপত্তি হলো—যখন পোশাক, পদবি, বিশেষণ আর প্রচারণার আড়ালে বাস্তব কর্মের চেয়ে নিজেকে বড় করে দেখানোর প্রবণতাই প্রধান হয়ে ওঠে।
শুভেচ্ছার পোস্টার প্রকাশ করে কিংবা ফেসবুকে নিজের আইডি, একাধিক অ্যাকাউন্ট, ট্যাগ ও শেয়ারের মাধ্যমে বিভিন্ন গ্রুপে ছড়িয়ে দিয়ে পরিচিতি বাড়ানোর চেষ্টা অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। অথচ যাঁরা নিজেদের জনদরদি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ধারক হিসেবে তুলে ধরছেন, তাঁদের মধ্যে কতজন সত্যিকার অর্থে মন্দির-মণ্ডপে যাবেন? কতজন হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের খোঁজখবর নেবেন? কতজন তাঁদের নিরাপত্তা, প্রয়োজন কিংবা বিপদে পাশে দাঁড়াবেন? সেটিও দেখার বিষয়।

কারণ, শুভেচ্ছার পোস্টার প্রকাশ করা সহজ; মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানো কঠিন। ছবিতে জনদরদি সাজা সহজ; বাস্তবে জনতার আস্থা অর্জন করা কঠিন।
যাঁরা আগামী দিনে জনপ্রতিনিধি হতে চান, তাঁদের মনে রাখা উচিত—জনপ্রতিনিধি হওয়ার স্বপ্ন দেখতেই পারেন, প্রচারণাও চালাতে পারেন। কিন্তু মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয় দীর্ঘদিনের কাজ, দায়িত্বশীলতা, সততা, যোগ্যতা ও বিপদে-আপদে পাশে থাকার মধ্য দিয়ে। কেবল উৎসবের মৌসুমি শুভেচ্ছা আর রঙিন পোস্টারে সেই গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয় না।
যে মানুষটি সারা বছর সাধারণ মানুষের খোঁজ রাখেন না, যাঁর কাছে এলাকার সমস্যা নিয়ে গেলে সাড়া পাওয়া যায় না, যিনি মানুষের অধিকার ও দুর্দশা নিয়ে কখনো ভাবেন না—তিনি উৎসবের কয়েকটি পোস্টার দিয়েই মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেবেন, এমনটা ভাবা নিছক আত্মপ্রবঞ্চনা।
দুর্গাপূজা শুধু শুভেচ্ছা বিনিময়ের উপলক্ষ নয়; এটি সম্প্রীতি, সহাবস্থান, মানবিকতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধেরও পরীক্ষা। এই সময়ে কে কত বড় পোস্টার দিলেন, তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—কে কতটা আন্তরিকভাবে মানুষের পাশে দাঁড়ালেন।
মনে রাখা দরকার, মানুষ পোস্টারের আকার দেখে নয়, কাজের পরিমাণ দেখে; ছবির সাজ দেখে নয়, চরিত্রের পরিচয় দেখে; মুখের বুলি শুনে নয়, বাস্তব আচরণ দেখে মানুষকে মূল্যায়ন করে।
তাই সম্ভাব্য জনপ্রতিনিধিদের প্রতি অনুরোধ—নিজেকে পোস্টারে যতটা বড় করে দেখাচ্ছেন, বাস্তবেও মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ততটাই বড় হওয়ার চেষ্টা করুন। শুভেচ্ছা জানান, উৎসবে অংশ নিন, সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিন। তবে সেই শুভেচ্ছা যেন কেবল নিজের পরিচিতি বাড়ানোর কৌশল না হয়ে ওঠে।
কারণ, উৎসব শেষ হবে, পোস্টার হারিয়ে যাবে, ফেসবুকের ওয়াল থেকে ছবিও নিচে নেমে যাবে। কিন্তু মানুষের সঙ্গে করা ভালো-মন্দ আচরণ, উপকার-অপকার আর কর্মের হিসাব থেকে যাবে।
এখন আসা যাক ভোটের মাঠের বাস্তবতায়! প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষও এখন অনেক সচেতন। তাঁরা ভালো বোঝেন, ভালো জানেন। কে কেমন মানুষ, কার অতীত কেমন, কে বিপদে পাশে ছিলেন আর কে শুধু নিজের স্বার্থে মানুষের কাছে গেছেন—এসবের অনেক হিসাবই সাধারণ মানুষের জানা আছে। এমনকি অনেক সম্ভাব্য প্রার্থীর অতীত কর্মকাণ্ডের আমলনামার ফিরিস্তিও তাঁদের কাছে অজানা নয়।
তাই শুধু ফেসবুকে রঙিন পোস্টার প্রকাশ করে, নিজের গুণগান গেয়ে কিংবা শুভেচ্ছার আড়ালে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে নিজেকে জনপ্রিয় ভাবার কোনো কারণ নেই।
‘হুদাই মুই কী হনু রে!’—ভোটের মৌসুম এলেই প্রার্থী হওয়ার নাচানাচি!
প্রার্থী হওয়ার আগে নিজের অবস্থানটা বুঝুন। এলাকায় নিজের গ্রহণযোগ্যতা কতটুকু, সাধারণ মানুষের কাছে নিজের ভাবমূর্তি কেমন, অতীতে মানুষের জন্য কী করেছেন—সেই হিসাবটা আগে মিলিয়ে নিন। তা না হলে কাগজে-কলমে কিংবা ফেসবুকে নামেই প্রার্থী থাকবেন, বাস্তবের ভোটের মাঠে তার প্রতিফলন নাও দেখা যেতে পারে।
মনে রাখতে হবে, প্রার্থিতা আর ভোটের মাঠের পরিস্থিতি এক বিষয় নয়। পোস্টারে বড় ছবি, গালভরা প্রতিশ্রুতি, ফেসবুকে রঙিন প্রচারণা আর সাজানো বুলি হয়তো ভার্চ্যুয়াল জগতে আর্কাইভ হয়ে থাকবে। ছাপানো পোস্টার হয়তো কারও দেয়ালে ঝুলবে স্মৃতি হয়ে। কিন্তু নির্বাচনের দিন ভোটাররা নিজেদের বিবেচনা, অভিজ্ঞতা ও আস্থার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেবেন।
সেই দিন কে কত বড় পোস্টার দিয়েছেন, কার ছবিতে কতটা চাকচিক্য ছিল, কে কতবার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কিংবা কার প্রচারণায় কত রং ব্যবহার হয়েছে—এসবই যে ভোটের সিদ্ধান্ত নির্ধারণ করবে, তা নয়।
ভোটের মাঠে দলের প্রার্থী, প্রতীক কিংবা ব্যক্তিগত প্রচারণা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে; কিন্তু শেষ পর্যন্ত অনেক ভোটার নিজের বিবেচনায় এমন একজন মানুষকেই বেছে নিতে চাইবেন, যাঁকে সুখে-দুঃখে পাশে পাওয়ার ভরসা আছে, যাঁর কাছে এলাকার সমস্যার কথা বলা যায় এবং যাঁর মাধ্যমে উন্নয়ন ও জনকল্যাণের আশা করা যায়।
কারণ, সাধারণ মানুষ জানেন—কাকে পাশে পেলে বিপদে সহযোগিতা মিলবে, কার কাছে গেলে নিজের কথা বলা যাবে, আর কে নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়নে আন্তরিক ভূমিকা রাখবেন।
জনগণের স্মৃতিশক্তিকে ছোট করে দেখবেন না। তাঁরা হয়তো সব কথা মুখে বলেন না, কিন্তু কে কী করেছেন, কে কী বলেন আর কে কেমন আচরণ করেন—সবই মনে রাখেন।
শেষ কথা
আমি কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আঘাত করার জন্য লিখছি না। ফেসবুকে সাম্প্রতিক সময়ে দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছার নামে যেভাবে পোস্টার প্রকাশ ও আত্মপ্রচারের প্রতিযোগিতা চোখে পড়ছে, তা দেখেই কিছু কথা বলা।
যাঁদের গায়ে লাগবে, তাঁরা আত্মসমালোচনা করতে পারেন; আর যাঁরা সত্যিকার অর্থে মানুষের জন্য কাজ করেন, তাঁদের জন্য এই লেখা নয়—তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা।
উচিত কথা অনেকের কাছে তিক্ত লাগতে পারে। কেউ রাগ করতে পারেন, কেউ ভিন্নমত পোষণ করতে পারেন। সেটি স্বাভাবিক। তবে ভিন্নমত থাকুক যুক্তিতে, ব্যক্তিগত আক্রমণে নয়।
পরিশেষে বলব—এমন লেখা পড়ে কে কী বুঝবেন, তা একান্তই তাঁর নিজের বিষয়। ‘যে যা বোঝেন, ভাই!’
আমি যা দেখি, জানি এবং বর্তমান পরিস্থিতি ও বাস্তবতার আলোকে যেভাবে বুঝি, তা-ই তুলে ধরার চেষ্টা করি। সবাইকে খুশি করা আমার উদ্দেশ্য নয়; বরং সমাজের কিছু দৃশ্যমান প্রবণতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা।

তাই সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রতি আমার আন্তরিক আহ্বান—শুভবুদ্ধির উদয় হোক! আত্মপ্রচার আর আত্মতুষ্টির বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসুন। পোস্টারের চাকচিক্য নয়, বাস্তব কাজ দিয়ে মানুষের আস্থা অর্জন করুন। মানুষের পাশে দাঁড়ান, তাঁদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হোন, এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখুন।
মনে রাখবেন—
শুভেচ্ছা হোক হৃদয় থেকে, নেতৃত্বের পরিচয় হোক কর্মে, আর জনপ্রতিনিধি হওয়ার যোগ্যতা প্রমাণিত হোক মানুষের ভালোবাসা ও আস্থায়।
কারণ, পোস্টারে নিজেকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে তুলে ধরা যায়, কিন্তু মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে হলে অর্জন করতে হয় তাঁদের বিশ্বাস।
ভোটের মাঠে শেষ কথা বলবেন ভোটাররা—আর তাঁদের রায় নির্ধারিত হবে তাঁদের নিজস্ব বিবেচনায়।
লেখক: মো. জিল্লুর রহমান পলাশ গণমাধ্যমকর্মী এম.এ. (রাষ্ট্রবিজ্ঞান), এলএল.বি. শিক্ষানবিশ আইনজীবী জেলা জজ আদালত, গাইবান্ধা।
Leave a Reply