বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
লালমনিরহাটে শিক্ষক সামলান সন্তান, ক্লাস নেন নৈশপ্রহরী; প্রতিবাদে শিক্ষার্থীর পড়ালেখা বন্ধ! লালমনিরহাটে ৭০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুইজন আটক গাজীপুরের কাশিমপুরে বিএনপির মিলন মেলা অনুষ্ঠিত লালমনিরহাটে সাংবাদিকের উপর বিএনপি নেতার হামলা, হত্যার হুমকি ১২৫০ নম্বরের মধ্যে ১১৯৯ পেয়ে, পটুয়াখালীর গলাচিপায় এসএসসিতে সেরা লাইসা আনান লালমনিরহাটে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে টাকা দাবি, মহিলা দল নেত্রী বহিষ্কার বোদায় ১৬ শিক্ষক কর্মচারীর মাদ্রাসায় ৭ পরীক্ষার্থী, পাশ করেছে ১জন ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ নিয়ে ক্ষোভ, সুন্দরগঞ্জে দপ্তরে দপ্তরে তালা পঞ্চগড়ে লাইসেন্স বিহীন প্যাথলজিতে লিভার পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে প্রতারনা সিভিল সার্জনের কাছে প্রতারনার অভিযোগ লালমনিরহাটে ১১শিক্ষকের বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী ৫ জন, ওবুও পাস করেনি কেউ
লালমনিরহাটে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে টাকা দাবি, মহিলা দল নেত্রী বহিষ্কার

লালমনিরহাটে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে টাকা দাবি, মহিলা দল নেত্রী বহিষ্কার

ডেস্ক রিপোর্ট :: ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে দরিদ্র নারীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর লালমনিরহাট জেলা মহিলা দলের সহসভাপতি শেলী খাতুনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

গতকাল সোমবার (১০ আগস্ট) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আঞ্জুমান আরা শাপলা। বহিষ্কৃত শেলী খাতুন লালমনিরহাট শহরের আলোরূপা এলাকার বাসিন্দা।

জেলা মহিলা দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট জিন্নাত ফেরদৌস আরা রোজী ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আঞ্জুমান আরা শাপলার যৌথ স্বাক্ষরিত বহিষ্কারপত্রে জানানো হয়, শেলী খাতুন ব্যক্তিগত ও পারিবারিক স্বার্থে দলীয় পদ-পদবি ব্যবহার করে দলের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন করেছেন। এ ছাড়া দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, চাঁদা দাবি এবং বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আঞ্জুমান আরা শাপলা বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের নামে চাঁদাবাজির জেরে একটি মারধরের ঘটনার খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি তদন্ত করি। প্রাথমিক অনুসন্ধানে অভিযোগের সত্যতা মিললে জরুরি ভিত্তিতে বৈঠক ডেকে শেলী খাতুনকে দল থেকে বহিষ্কারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দলীয় পদ-পদবি ও প্রভাব কাজে লাগিয়ে শেলী খাতুন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করে আসছিলেন। ফ্যামিলি কার্ড পাইয়ে দেওয়ার নামে তিনি এলাকার দরিদ্র নারীদের কাছ থেকে কার্ডপ্রতি ১০ হাজার টাকা করে দাবি করেন। ইতিমধ্যে অন্তত চারজন নারী তার দাবি করা টাকা পরিশোধ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় ভুক্তভোগী আলেয়া বেওয়া (৫৫) নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দিনমজুরি করে কোনোমতে আমার সংসার চলে। শেলী খাতুন আগে আমার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি নেন। পরে সাফ জানিয়ে দেন—১০ হাজার টাকা না দিলে কোনো ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে না।

অভিযোগের জেরে গত ৫ আগস্ট রাতে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী নারীরা শেলী খাতুনকে ডেকে এনে জবাবদিহি চান। এ সময় তিনি টাকা না দিলে কার্ড মিলবে না বলে সাফ জানিয়ে দিলে এলাকায় চরম উত্তেজনা তৈরি হয় এবং একপর্যায়ে উপস্থিত নারীরা তাকে গণধোলাই দেন।


তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শেলী খাতুন। তার দাবি, আমি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার। একটি কুচক্রী মহল ফ্যামিলি কার্ডের মিথ্যা নাটক সাজিয়ে আমাকে ফাঁসিয়েছে এবং দল থেকে বহিষ্কার করিয়েছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com