নিউজ ডেস্ক :: এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা-২০২৬-এ ১২৫০ নম্বরের মধ্যে ১১৯৯ নম্বর পেয়ে গলাচিপা উপজেলায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে মেধাবী শিক্ষার্থী লাইসা আনান। তার অসাধারণ ফলাফলে পরিবার, শিক্ষক, সহপাঠী ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে।

ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি মনোযোগী লাইসা আনান। নিয়মিত অধ্যয়ন, অধ্যবসায় ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সে এই ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে। ১২৫০ নম্বরের মধ্যে ১১৯৯ নম্বর পাওয়ায় তার কৃতিত্বে গর্বিত পরিবার ও শিক্ষকরা। তার এই ফলাফল গলাচিপা উপজেলার শিক্ষার্থীদের মধ্যেও নতুন অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করেছে।
লাইসা আনানের বাবা মাসুদ রানা পানপট্টি ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান। জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনসেবায় ব্যস্ত থাকার পাশাপাশি তিনি সবসময় সন্তানের পড়াশোনার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। মেয়ের পড়াশোনায় উৎসাহ দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন পাশে।

লাইসার মা সাবেরা খাতুন ডাকুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষিকা। শিক্ষকতা পেশায় থাকার কারণে পড়াশোনার গুরুত্ব সম্পর্কে মায়ের কাছ থেকেও নিয়মিত উৎসাহ ও দিকনির্দেশনা পেয়েছে লাইসা। বাবা-মায়ের অনুপ্রেরণা, পরিবারের সার্বিক সহযোগিতা এবং শিক্ষকদের নিবিড় দিকনির্দেশনা তার সাফল্যের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
লাইসার এই সাফল্য শুধু তার পরিবারের জন্য নয়, পুরো গলাচিপা উপজেলার জন্যও গর্বের বিষয়। তার ফলাফলের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সহপাঠী, শিক্ষক, আত্মীয়স্বজন ও এলাকাবাসী তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। শুভাকাঙ্ক্ষীরা তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন।

নিজের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত লাইসা আনান ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে নিজের স্বপ্ন পূরণের পাশাপাশি দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চায়। তার লক্ষ্য, ভালো ফলাফলের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে উচ্চশিক্ষায়ও কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখা।
লাইসার বাবা মাসুদ রানা ও মা সাবেরা খাতুন বলেন, মেয়ের এই অর্জনে তারা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। ছোটবেলা থেকেই লাইসা পড়াশোনার প্রতি আন্তরিক ছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে সবসময় উৎসাহ ও সহযোগিতা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও সে যেন সাফল্যের এই ধারা অব্যাহত রাখতে পারে, সেজন্য তারা সবার কাছে, দোয়া ও শুভকামনা কামনা করেন।

শিক্ষাবিদ ও স্থানীয়রা বলছেন, ১২৫০ নম্বরের মধ্যে ১১৯৯ নম্বর পাওয়া লাইসার এই অর্জন নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তার সাফল্য গলাচিপার অন্যান্য শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হতে উৎসাহিত করবে এবং ভবিষ্যতে তারা আরও ভালো ফলাফল অর্জনে অনুপ্রাণিত হবে।
Leave a Reply