মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার, গাজীপুর। গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর মনপুরা পার্কে বিএনপির মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সামাজিক উন্নয়ন মূলক কাজের পাশাপাশি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ব্যস্ততার বাইরে নেতাকর্মীদের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও সাংগঠনিক বন্ধন জোরদারের প্রত্যয়ে গাজীপুর।
মহানগরীর কাশিমপুর থানা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আনন্দ ভ্রমণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) মনপুরা পার্কে আয়োজিত দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানে কাশিমপুর থানা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতিতে পুরো আয়োজন পরিণত হয় উৎসবমুখর মিলনমেলায়।
মিলন মেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক,গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি, কাশিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান
মোঃ শওকত হোসেন সরকার।
এ সময় তার সহধর্মিণী, গাজীপুর মহানগর , কাশিমপুর থানা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সকাল থেকেই আনন্দ ভ্রমণকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী মনপুরা পার্কে পৌঁছানোর পর তারা বিভিন্ন বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নেন এবং নিজেদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস ভাগাভাগি করে নেন।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা বিনোদনমূলক পরিবেশনা।
সাংস্কৃতিক পর্বে গান, নাচসহ বিভিন্ন পরিবেশনায় অংশ নেন নেতাকর্মী ও উপস্থিত অতিথিরা। এতে পুরো পার্কজুড়ে সৃষ্টি হয় প্রাণবন্ত ও আনন্দঘন পরিবেশ।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্যে নেতাকর্মীদের ঐক্য, শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি নেতাকর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সাংগঠনিক বন্ধন আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। এ ধরনের আয়োজন নেতাকর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আনন্দ ভ্রমণের পাশাপাশি নেতাকর্মীরা নিজেদের মধ্যে মতবিনিময় করেন। সংগঠনের বিভিন্ন বিষয় এবং ভবিষ্যৎ কর্মকাণ্ড নিয়েও তারা আলোচনা করেন। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ব্যস্ততার মাঝে এমন আয়োজন নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে বলে জানান অংশগ্রহণকারীরা।
আয়োজকরা জানান, নেতাকর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও সাংগঠনিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতেও দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন নেতারা।
Leave a Reply