বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
লালমনিরহাট সদর উপজেলা ভ্যান ও ঠেলাগাড়ী শ্রমিক ইউনিয়ন, লালমনিরহাট- এর ১ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত জামায়াত নেতার মাদ্রাসা থেকে ১৩ বস্তা সরকারি ধানের বীজ উদ্ধার নরসিংদীতে লুঙ্গি আ’ট’কে ট্রেনের দুই বগির মাঝে পড়ে যুবকের মৃ’ত্যু তারাগঞ্জে গরুর পানি খাওয়ানোর হাউজে পড়ে শিশুর মৃত্যু বুড়িচংয়ে হত্যা মামলা তুলে নিতে নারী ও তাঁর স্বামীকে হত্যার হুমকি কুমিল্লা দাউদকান্দিতে ৩৫ কেজি গাঁজা উদ্বার,গ্রেপ্তার-১ সিআইডির জ্যাকেট-ওয়াকিটকি নিয়ে নারী অপহরণের চেষ্টা, গ্রেপ্তার ৭ ১০০ রাকাত নফল নামাজ পড়িয়ে তিন চোরকে ছেড়ে দিলেন এলাকাবাসী হাতীবান্ধায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৪ সদস্য গ্রে’প্তার, কারসহ বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার স্বরাষ্ট্র ছাড়লেন সালাহউদ্দিন, দায়িত্ব পেলেন এলজিআরডির
অফিসে বসে বিতর্কিত লেনদেন, টাঙ্গাইলের এডিসির ভাইরাল ভিডিও নিয়ে তোলপাড়

অফিসে বসে বিতর্কিত লেনদেন, টাঙ্গাইলের এডিসির ভাইরাল ভিডিও নিয়ে তোলপাড়

ডেস্ক রিপোর্ট :: নিজ সরকারি কার্যালয়ে বসে মদ কেনার টাকা লেনদেনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত নিজ কক্ষে বসেই মানিব্যাগ থেকে টাকা বের করে কেরু অ্যান্ড কোম্পানির মদ কেনার জন্য অন্য একজনের হাতে তুলে দিচ্ছেন।


এ ঘটনা সামনে আসতেই পুরো জেলাজুড়ে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ভিডিওটি ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে। প্রকাশিত ভিডিওতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সঞ্জয় কুমার মহন্তকে তার কার্যালয়ে বসে কেরুসহ বিভিন্ন ব্যান্ডের মদ সম্পর্কে আলোচনা করতে দেখা যায়। আলোচনার একপর্যায়ে তিনি নিজের মানিব্যাগ থেকে তিন হাজার টাকা বের করে মদ কেনার উদ্দেশ্যে কারও হাতে তুলে দেন।

কেবল কার্যালয়ে মদের টাকা লেনদেনই নয়, এই সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত মাদক সেবনের গুরুতর অভিযোগও রয়েছে।

জেলা প্রশাসনের নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন কর্মচারী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সঞ্জয় কুমার মহন্তের মতো একজন পদস্থ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা কীভাবে তার কক্ষে বসে মদ কেনার জন্য টাকা দিতে পারেন, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। কর্মচারীরা আরও অভিযোগ করেন, মদ লেনদেনের পাশাপাশি আর্থিক অনিয়মের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন তিনি। সম্প্রতি টাঙ্গাইল পৌরসভার কয়েকজন ঠিকাদার কোনো কাজ না করেই বিল নেওয়ার জন্য এই কর্মকর্তাকে মোটা অঙ্কের টাকা দিয়েছেন বলে দাবি করেন তারা।

এদিকে ভিডিও ভাইরাল ও নানা অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে অভিযুক্ত অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। অন্যদিকে, এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের বক্তব্য নেওয়ার জন্য তার মোবাইল ফোনে বারবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com