ডেস্ক রিপোর্ট :: দিনাজপুরের ঐতিহাসিক গোর-এ-শহীদ বড়ময়দানে আমবয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে তিনদিনব্যাপী জেলা ইজতেমা। শুক্রবার ইজতেমার প্রথম দিনে জুমার নামাজে মুসল্লিদের ঢল নামে। সকাল থেকেই শহর ছাড়াও দূরদূরান্ত থেকেও অনেকে এই নামাজে অংশ নেন।

দিনাজপুর সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম ইজতেমায় শরিক হয়ে জুমার নামাজ আদায় করেন। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুর পৌনে দুইটায় ইজতেমার ময়দানে এ নামাজে ইমামতি করেন কাকরাইলের মুরুব্বি মুফতি সৈয়দ ওসামা ইসলাম।
তিনদিনব্যাপী এই ইজতেমা চলবে রবিবার (৮ নভেম্বর) পর্যন্ত। ওইদিন আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে শেষ হবে এই ইজতেমা।

জুমার নামাজের আগে ইজতেমা মাঠে আগত মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে বয়ান পেশ করেন ঢাকার মুরুব্বি ডা. জাকির হোসেন। আর বাদ ফজর বয়ান করেন মুরুব্বি মাওলানা মোহাম্মাদুল্লাহ।
জেলার ১৩টি উপজেলা ছাড়াও ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রামসহ আশপাশের এলাকা থেকে আগত মুসল্লিরা ইজতেমায় অংশগ্রহণ করেছেন। এছাড়া সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও সুদানসহ আরও কয়েকটি দেশের জামাত ইজতেমায় অংশ নিয়েছেন।

শুক্রবার প্রথম দিনে দুপুর পৌনে দুইটায় নামাজ শুরু হয়। নামাজে তাবলিগ জামাতের সাথিরা ছাড়াও অন্যান্য মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেন। শহরের মুন্সিপাড়া মহল্লার আরিফুল ইসলাম পল্লব বলেন, ‘বড় জামাতে অনেক সোয়াব পাওয়া যায়। তাই ইজতেমায় জুমার নামাজ আদায় করলাম।’
শহরের বালুয়াডাঙ্গা মহল্লার ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিবার ইজতেমায় জুমার নামাজ আদায় করি, এবারও করলাম। নামাজের জামাত যতবড় হয়, তত বেশি সোয়াব পাওয়া যায়, সেই আশায় প্রতিবার ইজতেমায় মুসল্লিদের সঙ্গে নামাজ আদায় করি।’

সেতাবগঞ্জ থেকে আসা সোহেল রানা জানান, এবারই প্রথম ইজতেমায় জুমার নামাজ আদায় করতে পেরে তিনি খুব খুশি। অনেক মুসল্লির সঙ্গে নামাজ আদায় করলে সোয়াবের পাশাপাশি কারও না কারও দোয়া আল্লাহ কবুল করে সবার জীবনের গুনাহ মাফ করে দেবেন, এই আশায় এখানে এসেছেন।
জেলা তাবলিগের দায়িত্বশীল শেখ সাবির আলী জানান, তাবলিগের মুরুব্বি, সাথি, দেশি, বিদেশি মেহমান ছাড়াও বিভিন্ন স্থান থেকে মুসল্লিরা জুমার নামাজ আদায় করতে আসেন। মাঠে শামিয়ানা পেরিয়ে রোদের মধ্যে দাঁড়িয়েও নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিরা।
Leave a Reply