বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
গাজীপুরে চোরাই গরু উদ্ধার করে বিপাকে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ আদর্শ ইসলামিক ক্যাডেট স্কুলের অভিভাবক সমাবেশ, ফলাফল প্রকাশ ও পুরস্কার বিতরণী ৯ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু, একই শ্মশানে পাশাপাশি চিতা বকশীগঞ্জে শ্বশুরবাড়িতে ডেকে নিয়ে যুবককে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ! পঞ্চগড় পৌরসভায় ২৭টি ডাস্টবিন বিতরণ তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও তথ্য না পাওয়ার অভিযোগ, পঞ্চগড়ে ক্ষুব্ধ সংবাদকর্মীরা পঞ্চগড়ে সুইসগেট ভাঙার এক বছরেও হয়নি সেতু, দুর্ভোগে হাজার হাজার মানুষ নজরুল বর্ষের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান শিবরাম স্কুলের নুহা বকশীগঞ্জ সীমান্তে ৫৬৭ পিস ভারতীয় কসমেটিকস পণ্য জব্দবকশীগঞ্জ সীমান্তে ৫৬৭ পিস ভারতীয় কসমেটিকস পণ্য জব্দ লালমনিরহাটে থ্যালাসেমিয়া ও ক্যান্সার রোগীদের আজীবন ফ্রি রক্ত দেবে ‘বিডিএসএল’
এজাহার গ্রহণ না করায় গাইবান্ধা সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে আইজিপির কাছে অভিযোগ

এজাহার গ্রহণ না করায় গাইবান্ধা সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে আইজিপির কাছে অভিযোগ

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: এজাহার গ্রহণ না করার অভিযোগ উঠেছে গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

 

সোমবার (৯ মার্চ ২৬) সকালে অভিযোগটি করেন গাইবান্ধা সদর উপজেলার উজির ধরনীবাড়ী এলাকার বাসিন্দা এএইচএম জিয়াউর রহমান খান।
তিনি ডাকযোগে পুলিশ সদর দপ্তরে অভিযোগপত্র পাঠিয়েছেন।

অভিযোগের অনুলিপি গাইবান্ধা জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) এবং রংপুর রেঞ্জের ডিআইজির কাছেও প্রেরণ করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে তার বাড়ির কেয়ারটেকার ও একই এলাকার বাসিন্দা মোছাঃ নূরুন নাহার স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তির হাতে শারীরিক নির্যাতন, মারধর, শ্লীলতাহানি এবং জোরপূর্বক আটকে রাখার মতো গুরুতর ঘটনার শিকার হন।

ঘটনার পর ন্যায়বিচারের আশায় ভুক্তভোগী ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে গাইবান্ধা সদর থানায় উপস্থিত হয়ে একটি লিখিত এজাহার (এফআইআর) দাখিল করতে গেলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন সেটি মামলা হিসেবে গ্রহণ না করে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার পরামর্শ দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ফৌজদারি কার্যবিধি (সিআরপিসি) এর ধারা ১৫৪ অনুযায়ী কোনো জ্ঞাত অপরাধের অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট থানার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে এজাহার গ্রহণ করা আইনগত বাধ্যবাধকতা। কিন্তু গাইবান্ধা সদর থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ওই বিধান উপেক্ষা করেছেন বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।

এতে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়ে ভুক্তভোগী মানসিকভাবে চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়ভাবে একটি সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হলেও সেখানে তিনি কোনো ন্যায়সঙ্গত প্রতিকার পাননি।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, সামাজিক চাপ, হতাশা এবং ন্যায়বিচার না পাওয়ার বেদনাবোধ থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ভুক্তভোগী বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরে দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার মাধ্যমে তার জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন।

ঘটনার ন্যায়বিচার দাবিতে ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ভুক্তভোগী গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে স্থানীয় গণমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন সংবাদমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারী এএইচএম জিয়াউর রহমান খান বলেন, “আমি বিশ্বাস করি প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করবে এবং ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার পাবেন।”

এ বিষয়ে গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “ঘটনাটি আমরা তদন্ত করে দেখেছি, অভিযোগের তেমন কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। পরে স্থানীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা হয়েছে এবং ৫২ জনের স্বাক্ষরযুক্ত একটি মীমাংসা পত্র আমার কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। তবে সেই মীমাংসা পত্রে এএইচএম জিয়াউর রহমান খানের স্বাক্ষর রয়েছে কি না—এ বিষয়ে আমার জানা নেই।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com