বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
ব্রাজিল ভক্তদের মোটর র‍্যালিতে আর্জেন্টিনা ভক্তদের 7UP বিতরণ গাইবান্ধায় চামড়ার বাজারে ধস, শত শত চামড়া ফেলে গেলেন ব্যবসায়ীরা কালিয়াকৈরে “ঈদের তিন দিন পার হলেও মহাসড়ক থেকে অপসারণ করা হয়নি কোরবানির বর্জ্য তিস্তা কে আর খাদেম উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯৬ ব্যাচের পূর্ণমিলনী ২০২৬ অনুষ্ঠিত গাজীপুরে পিস্তল গুলি প্রাইভেটকার সহ গ্রেফতার ১ জন কোরবানির মাংস পেয়ে তৃপ্তির হাসি,বেটি-জামাইয়োক নিয়ে তৃপ্তি করে গোশতো-ভাত খামো সন্তানের জন্ম দিলেন মানসিক ভারসাম্যহীন নারী, বাবা কে? কোরবানি দিতে গিয়ে আহত হয়ে পঙ্গু হাসপাতালে ১৬৯ জন বিক্রি না হওয়ায় মাটিতে পুঁতে ফেলা হলো কোরবানির পশুর চামড়া ভারতে দেশি মদ পান করে ৪৮ ঘণ্টায় ১৮ জনের মৃত্যু
বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

অনলাইন ডেস্ক: আজ বিশ্ব বাঁশ দিবস। প্রতি বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর দিবসটি পালিত হয়। বাঁশের প্রয়োজনীয়তা ও বাঁশ সম্পর্কিত সচেতনতা ছড়িয়ে দিতেই বিশ্ব বাঁশ দিবস পালিত হয়।

২০০৫ সালে বৈশ্বিকভাবে বাঁশ শিল্পকে উন্নত করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয় বিশ্ব বাঁশ সংস্থা। ২০০৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অষ্টম বিশ্ব বাঁশ কংগ্রেস চলাকালে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি পায় বিশ্ব বাঁশ দিবস।

২০০৯ সালের ওই সম্মেলনে প্রায় ১০০টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন এবং দিনটিকে বিশ্ব বাঁশ দিবস হিসাবে মনোনীত করার প্রস্তাবে সম্মত হন। এই দিবস পালনের প্রস্তাব রেখেছিলেন সংস্থার তৎকালীন সভাপতি কামেশ সালাম।

পৃথিবীতে মুলি, তল্লা, আইক্কা, ছড়িসহ ৩০০ প্রজাতির বাঁশ আছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ বন গবেষণা ইন্সটিটিউট ৩৩ প্রজাতির বাঁশ সংরক্ষণ করেছে।

বিশ্বব্যাপী আসবাবপত্র কিংবা গৃহস্থালি প্রয়োজন ছাড়াও বাঁশ ব্যবহার করা হয় খাদ্যদ্রব্য হিসেবে। সবুজ বাঁশের ডালের ভেতরের অংশ অর্থাৎ বাঁশ কোড়ল স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারি।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) গ্লোবাল ব্যাম্বু রিসোর্সেস প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বে সবচেয়ে বেশি প্রজাতির বাঁশ পাওয়া যায় চীনে। চীনে অন্তত ৫০০ প্রজাতির বাঁশ রয়েছে। চীনে বাঁশকে শুভশক্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। তারা মনে করে বাঁশ নেতিবাচক শক্তিকে প্রতিহত করতে পারে।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ব্রাজিলে রয়েছে ২৩২ প্রজাতির বাঁশ। আর ৩৩ প্রজাতির বাঁশ থাকা বাংলাদেশ আছে তালিকার অষ্টমে। বাঁশ খাদ্য হিসেবেও ব্যবহৃত হচ্ছে। পুষ্টি উপাদান ও মুখরোচক স্বাদের জন্য পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের কাছে খাবার বাঁশ কোড়ল নামে পরিচিত।

এর তৈরি স্যুপ, সালাদ, তরকারি বেশ জনপ্রিয়। সাধারণত বাঁশের অঙ্কুরোদগম হওয়ার পর চার থেকে ছয় ইঞ্চি পর্যন্ত যে কচি বাঁশ হয় সেটাই রান্না করে খাওয়া যায়।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com