বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
লাল ফিতা কেটে বাঁশের সাঁকো উদ্বোধন করলেন পৌর বিএনপির সভাপতি রুমিন ফারহানা কি ‘গুপ্ত আওয়ামী লীগার’? বাড়িতেই পর্ণ ভিডিও তৈরি; ৪ তরুণী উদ্ধার, স্বামী-স্ত্রী ও ছেলেসহ আটক ৫ নারী সহকর্মীর ঘর থেকে বস্ত্রহীন অবস্থায় যুবদল নেতা আটক, ভিডিও ভাইরাল বিচিত্র পেশা কুঁচিয়া ধরা কুঁচিয়া শিকারেই জীবিকা নির্বাহ বালুবাহী ট্রাকে ১ কোটি ১৪ লাখ টাকার ভারতীয় জিরা জব্দ, আটক ১ রাজশাহী কারাগারে কারারক্ষীর বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও বন্দি নির্যাতনের অভিযোগ দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ ও প্রতিটি জেলায় স্পোর্টস ভিলেজ তৈরি হবে- ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। পুলিশের ধাওয়া খেয়ে ছাদ থেকে পড়ে ছাত্রদল নেতা নিহতের অভিযোগ ছুটিতে থাকা ৫ শতাধিক শ্রমিক জানলেন তাদের আর চাকরি নাই
রাজশাহী কারাগারে কারারক্ষীর বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও বন্দি নির্যাতনের অভিযোগ

রাজশাহী কারাগারে কারারক্ষীর বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও বন্দি নির্যাতনের অভিযোগ

রাজশাহী প্রতিনিধি :: রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দীদের জিম্মি করে টাকা দাবি এবং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক সিনিয়র সহকারী কারারক্ষীর বিরুদ্ধে।

অভিযুক্ত কারারক্ষীর নাম রাসেল (ব্যাচ নং-১৮৭২), যিনি বন্দীদের কাছে ‘সিআইডি রাসেল’ নামে পরিচিত। টাকা না দিলে খাবার বন্ধ করে দেওয়া, মারধর করা এবং অতিরিক্ত খাটুনির হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী বন্দী ও তাদের স্বজনরা।

​কারাগারের মূল প্রতিপাদ্য ‘রাখিব নিরাপদ, দেখাবো আলোর পথ’—এর উল্টো চিত্র ফুটে উঠেছে ভুক্তভোগীদের বর্ণনায়। গোপনে পরিবারের কাছে ফোন করে আকুতি জানিয়ে একাধিক কারাবন্দী অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত রাসেল সামান্যতম কথা কাটাকাটিতেই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। দাবি করা টাকা দিলে তার আচরণ স্বাভাবিক থাকলেও টাকা না পেলেই শুরু হয় নির্যাতন।

​ভুক্তভোগী এক বন্দীর স্বজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের স্বজনরা ভেতরে বিন্দুমাত্র নিরাপদ নয়। ওই কারারক্ষী নিয়মিত টাকা চায়। টাকা না পাঠালে খাবার বন্ধ করে দেওয়া, মারপিট করা আর কঠিন কাজের ভয় দেখানো হয়। বাধ্য হয়ে ধার-দেনা করে টাকা পাঠাতে হচ্ছে।”


​এই ঘটনার পর থেকে কারাগারের সাধারণ বন্দীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অন্যায্য এই জুলুম থেকে বাঁচতে অনেকে পরিবারকে চাপ দিয়ে টাকা আনিয়ে অভিযুক্ত কারারক্ষীকে দিতে বাধ্য হচ্ছেন।

​আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মীরা এই ঘটনাকে মৌলিক মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, কারাগার সংস্কার আইন অনুযায়ী প্রতিটি বন্দীর নিরাপত্তা ও মানবিক আচরণ পাওয়ার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। ঘটনাটির দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষী কারারক্ষীর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।


​এদিকে, রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দীদের ওপর নির্যাতন বা অর্থ আদায়ের অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার আল মামুন। তিনি বলেন, “কারাগারের ভেতরে বন্দীদের ওপর নির্যাতন বা অর্থ দাবির কোনো সুযোগ নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে বা তদন্তে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কারারক্ষীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com