বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
পঞ্চগড়ে সুইসগেট ভাঙার এক বছরেও হয়নি সেতু, দুর্ভোগে হাজার হাজার মানুষ নজরুল বর্ষের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান শিবরাম স্কুলের নুহা বকশীগঞ্জ সীমান্তে ৫৬৭ পিস ভারতীয় কসমেটিকস পণ্য জব্দবকশীগঞ্জ সীমান্তে ৫৬৭ পিস ভারতীয় কসমেটিকস পণ্য জব্দ লালমনিরহাটে থ্যালাসেমিয়া ও ক্যান্সার রোগীদের আজীবন ফ্রি রক্ত দেবে ‘বিডিএসএল’ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মাসব্যাপী সদস্য সংগ্রহ করছে ‘রক্তদাতা যুব সেবা কল্যাণ সংগঠন’ লালমনিরহাটে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে ৫ জন নিহত, আহত ৩ লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কে আরও একটি ট্র্যাজেডি, উদ্ধার কাজে ফায়ার সার্ভিস লালমনিরহাটে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রাব্বি গ্রেফতার কমলনগরে হাম প্রতিরোধে শুরু হয়েছে ‘ইন্টেন্সিফাইড এমআর ক্যাচ-আপ’ টিকাদান কার্যক্রম লালমনিরহাট শহরে বাড়ি ফাঁকা পেয়ে নগদ টাকা ও স্বর্ণালস্কার চুরি
ঢাবির হল সংসদ এজিএসের রুমে সমকামিতার অভিযোগ

ঢাবির হল সংসদ এজিএসের রুমে সমকামিতার অভিযোগ

ডেস্ক রিপোর্ট :: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ হলকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিও নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। ভিডিওগুলোতে হলের একটি কক্ষে অবস্থানরত দুই বহিরাগতকে জিজ্ঞাসাবাদ ও ক্ষমা চাইতে দেখা যায়। তবে ভিডিওগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

শনিবার (০১ আগস্ট) সন্ধ্যায় ভিডিওগুলো ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়। ঘটনাটি হল সংসদের সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) ইব্রাহিম খলিলের কক্ষকে ঘিরে বলে দাবি করা হচ্ছে।

জানা গেছে, ঘটনাটি গত ২৭ জুলাই রাতে ঘটে। ভাইরাল ভিডিওতে দুই ব্যক্তিকে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না করার প্রতিশ্রুতি দিতে শোনা যায়। তবে ভিডিওতে হল সংসদের এজিএস ইব্রাহিম খলিলকে দেখা যায়নি। দুই ব্যক্তির একজন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী বলে দাবি করা হলেও অন্যজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঘটনার বিষয়ে হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মো. তাওকির হাসান বলেন, এজিএসের কাছ থেকে তিনি জেনেছেন, চিকিৎসার প্রয়োজনে দুজন ব্যক্তি ঢাকায় এসেছিলেন এবং সাময়িকভাবে ওই কক্ষে অবস্থান করছিলেন। এজিএস তখন ক্লাসে ছিলেন বলেও তিনি জানান।

অভিযোগের বিষয়ে এজিএস ইব্রাহিম খলিল বলেন, আমার মায়ের মামাতো ভাই নোয়াখালী মাদানিয়া মাদ্রাসায় পড়ে। ২৬ তারিখে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় এসেছিলেন। তিনি কিছু সময় বিশ্রামের জন্য আমার কক্ষ ব্যবহারের অনুরোধ করেন। তার সঙ্গে আরও একজন ছিলেন। ঘটনার সময় আমি হলে ছিলাম না; ক্লাস শেষে বন্ধুদের সঙ্গে মাওয়া গিয়েছিলাম। বিষয়টি সম্পর্কে আগে কিছু জানতাম না। পরে ভিডিওর বিষয়টি জানতে পারি। যদি আগে জানতাম, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আগেই ব্যবস্থা নিতাম। এখন বিষয়টি জেনেছি, তাই তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শহীদুল্লাহ হল শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব জুনায়েদ আবরার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় এবং দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

ঘটনাটির ভিডিও ধারণকারী বলে পরিচয় পাওয়া রুমেলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি এ বিষয়ে এখন কিছু বলতে চাই না।

এদিকে, অয়ন চৌধুরী নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী ঘটনার তিনটি ভিডিও ফেসুবকে দিয়ে লেখেন, ‘গত ২৭ তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল সংসদের সম্মানিত এজিএস ইব্রাহিম খলিল শিকদারের দুজন মাদ্রাসায় পড়ুয়া গেস্টকে তার নিজকক্ষে অন্তরঙ্গ অবস্থায় পাওয়া যায়। পরবর্তীতে তাদের বক্তব্য ও স্বীকারোক্তিও নেয়া হয়। ঢাবির হল সংসদের একজন এজিএস হয়েও তার নিজকক্ষে এহেন ন্যক্কারজনক কর্মকাণ্ড অর্থাৎ সমকামিতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং হলের পরিবেশ ও শৃঙ্খলা নিয়েও প্রশ্ন উঠে। বি.দ্র: খুবই সেনসিটিভ কিছু ভিডিও আছে যেগুলো প্রকাশ করার যোগ্য নয় এবং প্রত্যক্ষদর্শী নিরাপত্তার স্বার্থে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক।’


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com