বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও তথ্য না পাওয়ার অভিযোগ, পঞ্চগড়ে ক্ষুব্ধ সংবাদকর্মীরা পঞ্চগড়ে সুইসগেট ভাঙার এক বছরেও হয়নি সেতু, দুর্ভোগে হাজার হাজার মানুষ নজরুল বর্ষের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান শিবরাম স্কুলের নুহা বকশীগঞ্জ সীমান্তে ৫৬৭ পিস ভারতীয় কসমেটিকস পণ্য জব্দবকশীগঞ্জ সীমান্তে ৫৬৭ পিস ভারতীয় কসমেটিকস পণ্য জব্দ লালমনিরহাটে থ্যালাসেমিয়া ও ক্যান্সার রোগীদের আজীবন ফ্রি রক্ত দেবে ‘বিডিএসএল’ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মাসব্যাপী সদস্য সংগ্রহ করছে ‘রক্তদাতা যুব সেবা কল্যাণ সংগঠন’ লালমনিরহাটে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে ৫ জন নিহত, আহত ৩ লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কে আরও একটি ট্র্যাজেডি, উদ্ধার কাজে ফায়ার সার্ভিস লালমনিরহাটে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রাব্বি গ্রেফতার কমলনগরে হাম প্রতিরোধে শুরু হয়েছে ‘ইন্টেন্সিফাইড এমআর ক্যাচ-আপ’ টিকাদান কার্যক্রম
সুন্দরগঞ্জে শোকের দিনেই গরিব-দুঃখিদের মাছ গেল কর্মকর্তাদের ঝুলিতে

সুন্দরগঞ্জে শোকের দিনেই গরিব-দুঃখিদের মাছ গেল কর্মকর্তাদের ঝুলিতে

রাশেদুল ইসলাম রাশেদ,গাইবান্ধা: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে রাষ্ট্রীয় শোকের দিনে উপজেলা পরিষদের সরকারি পুকুরের মাছ উত্তোলন ও তা গরিব-দুঃখীদের পরিবর্তে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ভাগাভাগির অভিযোগ ঘিরে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। জাতীয় শোকের আবহে এমন ঘটনায় জনমনে ক্ষোভ ও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) এ ঘটনা ঘটে । তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশব্যাপী তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হচ্ছিল। শোকের প্রথম দিনটি ছিল সাধারণ ছুটির দিন। ঠিক সেই দিনেই সুন্দরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সরকারি পুকুর থেকে মাছ উত্তোলন করে উপজেলা প্রশাসন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলা পরিষদের বার্ষিক উন্নয়ন প্রকল্পের (এডিপি) অর্থে প্রতিবছর ওই পুকুরে মাছ অবমুক্ত করা হয়। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী এসব মাছ উত্তোলনের পর তা গরিব, দুঃখী, দুস্থ মানুষ ও এতিমখানায় বিতরণ করার কথা। কিন্তু বাস্তবে তা অনুসরণ না করে আনসার সদস্যদের পাহারায় ভ্যানে করে মাছভর্তি বস্তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সরকারি বাসভবনের সামনে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখান থেকেই কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে মাছ ভাগ করে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলা পরিষদের এক কর্মচারী জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশেই পুকুর থেকে মাছ তোলা হয়। পরে কর্মকর্তা ও অফিস স্টাফদের মধ্যে মোট ৩২ ভাগে মাছ ভাগ করা হয়।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। তাদের ভাষ্য, মাছ ধরা সাধারণত উৎসবের মতো পরিবেশ তৈরি করে। যেখানে সারাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হচ্ছিল, সেখানে হৈ-হুল্লোড় করে মাছ ধরা এবং তা গরিবদের মাঝে বিতরণ না করে কেবল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ভাগাভাগি করা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অমানবিক।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি গণমাধ্যমকে বলেন, “গত দুই বছর ধরে পুকুরের মাছ তোলা হয়নি। মাছ বড় হয়েছে কি না, তা দেখার জন্য কিছু মাছ তোলা হয়েছিল। পরে যখন আবার মাছ তোলা হবে, তখন গরিব-দুঃখীদের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হবে।”

 

প্রবা/আরইসআর 


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com