ডেস্ক রিপোর্ট :: চট্টগ্রাম নগরে ছিনতাই করা ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের একটি মোটরসাইকেল ফেসবুকে বিক্রির চেষ্টা করতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছেন বান্দরবান জেলা পুলিশ লাইন্সের এক কনস্টেবলসহ চারজন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে নগরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে খুলশী থানা-পুলিশ। এ সময় ছিনতাই হওয়া মোটরসাইকেলটি ছাড়াও অপrরাধে ব্যবহৃত আরও দুটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার কনস্টেবলের নাম অনিক দাশ (২৭)। অন্য তিনজন হলেন ওয়াহিদ মোহাম্মদ জেবল হোসেন ওরফে অনিক ওয়াহিদ (৩৯), মহিউদ্দিন সেলিম (৫২) এবং মোহাম্মদ ওয়াহিদ নাসির ওরফে ডায়মন্ড (৩৮)। গত মঙ্গলবার রাতে বায়েজিদ লিংক রোড, পাহাড়তলী ও সীতাকুণ্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
খুলশী থানার উপপরিদর্শক গোলাম মোহাম্মদ নাসিম জানান, (২২) গত ১৬ অক্টোবর রাতে মারুফুর রহমান অপু বন্ধুদের নিয়ে মোটরসাইকেলে কক্সবাজার ভ্রমণের উদ্দেশ্যে রওনা হন। রাত আনুমানিক একটার দিকে খুলশী থানাধীন জাকির হোসেন রোডের ফয়েজ লেক চক্ষু হাসপাতালের সামনে একটি মেরুন রঙের ব্যক্তিগত গাড়ি ও দুটি মোটরসাইকেল তাদের গতিরোধ করে।

আসামিরা গাড়ি থেকে নেমে মারুফুরকে এলোপাতাড়ি মারধর করে তার মোটরসাইকেলটি ছিনিয়ে নেন। পরে তাকে জোর করে একটি ব্যক্তিগত গাড়িতে তুলে বায়েজিদ বোস্তামী থানার শেরশাহ এলাকায় নেয়া হয়। সেখানে তার মুঠোফোন ছিনিয়ে নিয়ে রাস্তার পাশে ফেলে হুমকি দিয়ে চলে যান আসামিরা।
গোলাম মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ঘটনার কয়েক দিন পর ‘অহমি’ নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে ছিনতাই হওয়া মোটরসাইকেলটি বিক্রির জন্য পোস্ট দেওয়া হয়। বিষয়টি জানতে পেরে মারুফুর ক্রেতা সেজে ওই আইডিতে যোগাযোগ করেন এবং মোটরসাইকেলটি কেনার সমঝোতা করেন। অগ্রিম হিসেবে তিনি ৫ হাজার টাকাও পাঠান।

নির্ধারিত দিনে বায়েজিদ লিংক রোডের মুখে পুলিশ বক্সের সামনে মোটরসাইকেলটি হস্তান্তর করতে এলে খুলশী থানা-পুলিশের সহায়তায় ফাঁদ পেতে কনস্টেবল অনিক দাশকে গ্রেপ্তার করা হয়।
Leave a Reply