বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
আমাকে ‘সেক্স ডাক্তার’ বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি মহল: তাসনিম জারা দীর্ঘ বিরতির পর সিলেটে করোনা শনাক্ত, আইসোলেশনে আক্রান্ত রোগী বিদ্যুৎ নিয়ে সমালোচনা বিচারকের, আদালত ভাঙচুর করলেন স্বেচ্ছাসেবক দল-ছাত্রদলের নেতারা স্বামীকে ছেড়ে প্রেমিককে নিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিলেন তরুণী মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে তিনজনের কারাদণ্ড, ড্রেজার জব্দ! কুমিল্লা বুড়িচংয়ে নিখোঁজের ৩ দিন পর পুকুরে মিললো রিকশাচালকের ভাসমান মরদেহ পঞ্চগড়ে আখ চুরি করতে এসে বাংলাদেশে আটক ভারতীয় নাগরিক ‘জামাতার হয়রানিতে’ অতিষ্ঠ বৃদ্ধ দম্পতি, জমি বিক্রিতে বাধার অভিযোগ; পঞ্চগড়ে মানববন্ধন সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক ডন গ্রেফতার মাঝ আকাশে তীব্র ঝাঁকুনির শিকার বিমান, ডোপ টেস্টে পাইলটের নমুনায় মাদক শনাক্ত
ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারীর তালিকায় সাজাপ্রাপ্ত ছাত্রদল নেতা

ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারীর তালিকায় সাজাপ্রাপ্ত ছাত্রদল নেতা

ডেস্ক রিপোর্ট :: পটুয়াখালীর বাউফলে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহকারীদের চূড়ান্ত তালিকায় মাসুম হাওলাদার নামে মাদক মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামির নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় নানা প্রশ্ন উঠেছে। এ ঘটনা ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।


মাসুম হাওলাদার উপজেলার বগা ইউনিয়নের সাবুপুরা গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে। তিনি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি।

স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দায়ের করা একটি মাদক মামলায় পটুয়াখালীর আদালত মাসুম হাওলাদারকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। পরে তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান। তবে নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলের এখনো শুনানি হয়নি। ফলে নিম্ন আদালতের দেওয়া কারাদণ্ড বহাল রয়েছে।


এ অবস্থায় একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামির নাম কীভাবে ফ্যামিলি কার্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে চূড়ান্ত তালিকায় ঠাঁই পেল, তা নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা তালিকাটি পুনরায় যাচাই-বাছাই করে দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কালাম বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মতো জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহের দায়িত্ব দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যোগ্যতা, অতীত কর্মকাণ্ড ও আইনগত বিষয় যাচাই করা জরুরি। তালিকায় কোনো অনিয়ম থাকলে তদন্ত করে প্রকৃত যোগ্য ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেওয়া উচিত।


আরেক বাসিন্দা আব্দুস সালাম বলেন, যোগ্য ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের বাদ দিয়ে বিতর্কিত ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেওয়া হলে কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্যই ব্যাহত হবে। তাই স্বচ্ছতার স্বার্থে তালিকাটি দ্রুত পুনর্মূল্যায়ন করা দরকার।

অভিযুক্ত মাসুম হাওলাদারের বক্তব্য জানতে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। তবে তার আইনজীবী মিলন হাওলাদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, একটি মাদক মামলায় পটুয়াখালীর আদালত মাসুম হাওলাদারকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। পরে তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান। তবে সেই রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলের এখনো শুনানি হয়নি।

এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবী নির্বাচন কমিটির সভাপতি সালেহ আহমেদ বলেন, আমরা মেধা যাচাইয়ের ভিত্তিতে প্রার্থী নির্বাচন করেছি। এর মধ্যে কে ভালো মানুষ আর কে সাজাপ্রাপ্ত, তা জানার সুযোগ ছিল না। কেউ সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য ও প্রমাণ দাখিল করলে অবশ্যই বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com