বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
সিআইডির জ্যাকেট-ওয়াকিটকি নিয়ে নারী অপহরণের চেষ্টা, গ্রেপ্তার ৭ ১০০ রাকাত নফল নামাজ পড়িয়ে তিন চোরকে ছেড়ে দিলেন এলাকাবাসী হাতীবান্ধায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৪ সদস্য গ্রে’প্তার, কারসহ বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার স্বরাষ্ট্র ছাড়লেন সালাহউদ্দিন, দায়িত্ব পেলেন এলজিআরডির দুপুরে বাল্যবিয়ে বন্ধ করলেন ম্যাজিস্ট্রেট, বিকেলে পালাল কিশোরী খাগড়াছড়িতে ২৪টি গুইসাপসহ নারী আটক বাবার সঙ্গে গোসলে গিয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে মাদ্রাসাপড়ুয়া শিশুর মৃত্যু সাবেক ছাত্রদল নেতাকে পেটালেন ইউএনও, থামালেন এসিল্যান্ড ছাত্রদলকে ‘টোকাই’ বলার প্রতিবাদ, রায়হান সিরাজীর বিরুদ্ধে গংগাছড়ায় বিক্ষোভ শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ
বোদায় ১৬ শিক্ষক কর্মচারীর মাদ্রাসায় ৭ পরীক্ষার্থী, পাশ করেছে ১জন

বোদায় ১৬ শিক্ষক কর্মচারীর মাদ্রাসায় ৭ পরীক্ষার্থী, পাশ করেছে ১জন

মনজু হোসেন,স্টাফ রিপোর্টার:: পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার হোসেনাবাদ ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ১৩ জন শিক্ষকের ৭ পরীক্ষার্থীর পাশ করেছে ১ জন। এতে ফলাফল নিয়ে অভিভাবকের মধ্যে চরম হতাশ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আইবুল ইসলাম জানান,২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষায় ৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।কিন্তু পাশ করেছে শুধু একজন শিক্ষার্থী। ওই মাদ্রাসায় শিক্ষকের সংখ্যা ১৩ জন। কেন এমন ফলাফল হলো, সে বিষয়ে সুপারিন্টেনডেন্টকে আমরা জবাবদিহিতার আওতায় আনব।তবে প্রতিষ্ঠানটিতে কয়েক বার পরিদর্শন করেছি। সেখানকার শিক্ষকদের অন্য প্রতিষ্ঠানে সংযুক্ত করা উচিত সরকারের।

স্থানীয়রা বলেন, শিক্ষকরা নিয়মিত স্কুলে যাতায়াত করলে আজ শিক্ষার্থীর এমন পরিস্থিতি শিকার হতো না। শিক্ষকরা সঠিকভাবে ক্লাস নিলে সবাই পাস করতো।এছাড়া প্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রী খুই কম।শিক্ষার্থী বাড়ানোর কোন চাহিদা নাই শিক্ষক কর্মচারীদের। সুপারিন্টেনডেন্ট যেখানে মাদ্রাসা ফাঁকি দেয় সেখানে শিক্ষার্থীর কাছে কি আশা করা যায়।

এ বিষয়ে হোসেনাবাদ ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপারিন্টেনডেন্ট মোছাঃ রৌশনারা বেগমকে মুঠোফোনে পরিচয়ের পর, কেন একজন পাশ করেছে জিজ্ঞাসা করতেই ফোন কেটে দেন। পরে আর ফোনে সাড়া দেয়নি তিনি।

তথ্যমতে,মাদরাসাটি ২০০২ সালে এমপিওভুক্ত হয়।দফায় দফায় ১৩ জন শিক্ষক ও ৩ জন কর্মচারীও এমপিওভুক্ত হয়েছেন।বেতনও পাচ্ছেন নিয়মিত।২০২৪ সালে দাখিল পরীক্ষায় ১৩ জন শিক্ষার্থী ফরম ফিলাপ করলেও অংশ গ্রহন করে ৫ জন এবং ২০২৫ সালে ৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।

অভিযোগ রয়েছে,নানা অনিয়ম দুর্নীতি করে গোপনে নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে কাগজপত্র জালিয়াতি করে, নিয়োগ দেওয়া হয়েছে কয়েকজন শিক্ষককে।মাদরাসায় নেই শিক্ষার পরিবেশ।ফলে দিন দিন শিক্ষার্থী শূন্যতা হয়ে পড়ছে মাদরাসাটি।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com