বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
৩২ কোটি ৭২ লাখ টাকার মাদক ধ্বংস করলো ৬০ বিজিবি কৃষকের চেকে ৫ লাখ টাকার অঙ্ক, কথিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ লালমনিরহাটে চলাচলের রাস্তার বেহাল দশা: ১০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ গাইবান্ধায় জলবায়ু সহনশীল পানি ও স্যানিটেশন প্রকল্পের যাত্রা শুরু গাইবান্ধা নিয়ে রংপুর-বগুড়ার টানাটানি, রংপুরের শিকড় ছাড়তে নারাজ গাইবান্ধা বিদ্যালয়ের কমনরুমে সিসিটিভি ক্যামেরা, ক্ষুব্ধ ছাত্রীরা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন ও ভেজাল লবণের ব্যবহার: তিন প্রতিষ্ঠানকে ৯ লাখ টাকা জরিমানা পঞ্চগড়ে ফেসবুক পোস্টে সাড়া, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর হাতে নতুন হুইলচেয়ার তুলে দিলেন ইউএনও লালমনিরহাটে ভারতীয় ট্রাকচালক অপহরণ মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার
লালমনিরহাটে চলাচলের রাস্তার বেহাল দশা: ১০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ

লালমনিরহাটে চলাচলের রাস্তার বেহাল দশা: ১০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ

খাজা রাশেদ, লালমনিরহাট।। লালমনিরহাট সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়নের খারুয়া গ্রামের প্রধান সংযোগ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকায়, চরম দুর্ভোগে পড়েছেন প্রায় ১০ হাজার মানুষ। সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় ধরনের ভাঙন ও খাদের সৃষ্টি হওয়ায় প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে স্থানীয়দের। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ধরলা নদীর পূর্ব পাশের বেরিবাঁধ সংলগ্ন বোয়ালমারী মসজিদ থেকে খারুয়া বাজার পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। কোথাও কোথাও সড়কের দুই পাশের মাটি ধসে পাশের জমিতে পড়ে গেছে। ফলে মোটরসাইকেল, ভ্যান, রিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পথচারীরাও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন।

স্থানীয়রা জানান, এ সড়ক দিয়ে খারুয়াসহ অন্তত পাঁচটি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করেন। অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া, শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাওয়া কিংবা কৃষিপণ্য পরিবহন- সব ক্ষেত্রেই সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ মোশারফ হোসেন বলেন, “আগেও এই কাঁচা রাস্তায় কাজ হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে কাজ হওয়ার কথা ছিল, সেভাবে হয়নি। যেখানে ভাঙন ছিল, সেখানে শুধু নামমাত্র মাটি ফেলা হয়েছিল। এখন বৃষ্টির কারণে রাস্তার দুই পাশের মাটি ধসে জমিতে পড়ে যাচ্ছে। এতে প্রতিদিন চলাচলে চরম ভোগান্তি হচ্ছে।”
তিনি আরও জানান, ২০১৭ সালের ভয়াবহ বন্যায় সড়কটি ভেঙে গেলে এলাকাবাসী নিজেদের উদ্যোগে প্রায় ৫ লাখ টাকা ব্যয় করে তিন কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার করেন। কিন্তু স্থায়ী ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিবছর বর্ষায় একই সমস্যার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে।

ওই এলাকার ইউপি সদস্য মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, “রাস্তাটিতে বালুমাটি থাকায় বর্ষাকালে সহজেই ভেঙে যায়। বরাদ্দ অপ্রতুল হওয়ায় স্থায়ীভাবে সংস্কার করা সম্ভব হয় না। দুই পাশে গাইডওয়াল নির্মাণ করে সড়কটি পাকাকরণ করা গেলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।”

এ বিষয়ে সদর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আল আমিন বলেন, “মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী শুষ্ক মৌসুমে প্রয়োজনীয় গাইডওয়াল নির্মাণ করে সড়কটি পাকাকরণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com