মোকছেদ আল মামুন(গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১১নং হরিপুর ইউনিয়নের ০৯ নং ওয়ার্ডের , রাঘব-গেন্দুরাম এর মাঝামাঝি মাইডেলের সোতা নামক স্থানে কাঠের সাকোঁর নিচে ভাসমান অবস্থায় একজন বৃদ্ধ মহিলার মৃতদেহ দেখতে পান এলাকাবাসী।
শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ৮ঃ৩০ টার দিকে হরিপুর ইউনিয়নের ০৯ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ শাহা আলম মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানান যে, রাঘব-গেন্দুরাম এর মাঝামাঝি মাইডেলের সোতা নামক স্থানে কাঠের সাকোঁর নিচে ভাসমান অবস্থায় একজন মহিলার মৃতদেহ দেখা যাচ্ছে,। ইউপি সদস্যের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যে সুন্দরগঞ্জ থানার কঞ্চিবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর সেলিম রেজার নির্দেশনায় এসআই(নিরস্থ) জুলিয়াস রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় বন্যা দুর্গত এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,
উপস্থিত লোকজনের কেউই ভাসমান মহিলার পরিচয় জানেন না। উক্ত বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য মোবাইল ফোনে অবহিত করিয়া লিখিত সংবাদ দিলে সুন্দরগঞ্জ থানায় অপমৃত্যু মামলা নং-৫০/২০২৬,তারিখ-০৯/০৭/২০২৬ খ্রি. রুজু হয়। এসআই মোঃ জুলিয়াস রহমানকে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য নির্দেশ প্রদান করিলে এসআই মোঃ জুলিয়াস রহমান সঙ্গিয় ফোর্স সহ মহিলা মেম্বার সহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং মৃতদেহের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করেন। লাশ শনাক্ত চেষ্টা করেন স্থানীয় সচেতন জনগন জনপ্রতিনীধি ও গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গদের বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রামে দেয়ার জন্য অনুরোধও করেন।
কঞ্চিবাড়ি তদন্ত কেদ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মোঃ সেলিম রেজা গণমাধ্যমকে জানান,কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি আর উজানের ঢলে সৃষ্ট বন্যায় বানের পানিতে উজান থেকে ভেসে আসতে পারে বৃদ্ধার মরাদেহটি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৃদ্ধ মহিলাটি কয়েকদিন আগে মারা গিয়েছে। তার আনুমানিক বয়স ৫০ হবে। এবং স্থানীয়দের সহযোগিতায় অজ্ঞাত মরদেহটি উদ্ধার করেছে সাব ইন্সপেক্টর জুলিয়াস রহমান সঙ্গীও পুলিশের একটি দল। উদ্ধারকৃত অর্ধ গলিত অজ্ঞাত বৃদ্ধের মরা দেহটি দেখে ধারণা করা হচ্ছে তার আনুমানিক বয়স (৫০) বছর।এই লাশটার পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। আমাদের সিআইডি বিশেষজ্ঞ রয়েছেন বা পিবিআই রয়েছে, তারা ফিঙ্গার সংগ্রহ করে চেষ্টা করে পরিচয় শনাক্তের জন্য। অর্ধগলিত হওয়ায় লাশের পরিচয় শনাক্ত ও মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করা যায়নি।
মরদেহটি ময়না তদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছিল।
ময়নাতদন্ত ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে জেলা প্রসাশনের অনুমোদনক্রমে আনজুমান মুফিদুল গাইবান্ধার মাধ্যমে গাইবান্ধা জেলা পৌর কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
Leave a Reply