বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
পঞ্চগড়ে ১৫ বছর ধরে পাখির কিচিরমিচিরে মুখর নাজিরপাড় মোট ৯টি বিয়ে করেছেন চরমোনাইপন্থী বক্তা, নেই কাবিননামা-রেজিস্ট্রেশন, আদালতে মামলা ৫ম স্ত্রীর মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীর দিনে যুবকের হাত বিচ্ছিন্ন ও গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার লালমনিরহাটে জুয়াড়িদের হামলায় আহত সেই শিক্ষকের মৃত্যু তেঁতুলিয়ায় ১০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার পঞ্চগড়ে জেলা প্রশাসকের অনুমতিপত্র জালিয়াতি করে করতোয়া সোলারের জমি রেজিস্ট্রেশন, তদন্তে প্রমাণিত বৃদ্ধ মাতাকে বাড়ী থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ছেলে আটক লালমনিরহাটে ক্লিনিক পরিচালকের বিরুদ্ধে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষ’ণের অভিযোগ সার পাচার রোধে উদাসীনতার অভিযোগ: ২০ বছরের অধিক সময় একই জেলায়,প্রশ্নের মুখে পঞ্চগড়ের উপপরিচালক আব্দুল মতিন বিকাশ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে, জাহাঙ্গীর আলম ভাইরাল কনটেন্ট ক্রিয়েটর।
পঞ্চগড়ে জেলা প্রশাসকের অনুমতিপত্র জালিয়াতি করে করতোয়া সোলারের জমি রেজিস্ট্রেশন, তদন্তে প্রমাণিত

পঞ্চগড়ে জেলা প্রশাসকের অনুমতিপত্র জালিয়াতি করে করতোয়া সোলারের জমি রেজিস্ট্রেশন, তদন্তে প্রমাণিত

মনজু হোসেন,স্টাফ রিপোর্টোর :: পঞ্চগড়ে জেলা প্রশাসকের অনুমতিপত্র জালিয়াতি করে করতোয়া সোলার লিমিটেড এর জমি রেজিস্ট্রেশন,তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে।এবিষয়ে ৩০ জুন তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে জেলা প্রশাসক বরাবরে পত্র দেন। তবে জেলা প্রশাসন দেড় মাসেও কোম্পানিটির বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি।

এর আগে গত বছরের ৪ জানুয়ারি ও ২০২৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর মাসে জেলা প্রশাসকের অনুমতিপত্র জালিয়াতি করে করতোয়া সোলার লিমিটেড এর জমি রেজিস্ট্রেশন বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

সংবাদটি জেলা প্রশাসনের নজরে আসলে তৎকালীন জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর আমিনুল ইসলাম তারেক গত বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারী স্বাক্ষরিত তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রতিবেদন দিতে বলেন।

সংবাদে বলা হয়েছিল,পঞ্চগড়ে জেলা প্রশাসকের জমি ক্রয়ের অনুমতিপত্র জালিয়াতি করে ৪৫ বিঘা জমি রেজিস্ট্রি করেছে করতোয়া সোলার লিমিটেড নামের একটি কোম্পানি।তেঁতুলিয়া উপজেলার ময়নাগুড়ি এলাকার শেখগছ মৌজায় দীর্ঘদিন ধরে এমন জাল জালিয়াতি করার অভিযোগ স্থানীয়দের।

নিয়ম অনুযায়ী কোন কোম্পানি জমি ক্রয় করতে হলে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের অনুমতির আদেশ বাধ্যতামূলক। কিন্তু করতোয়া সোলার লিমিটেড ২০২১ সালের ২৬ জানুয়ারিতে নেওয়া জেলা প্রশাসকের অনুমতিপত্র জালিয়াতি করে ২০২৪ সালে জমি রেজিস্ট্রির কাজ সম্পাদন করে নিয়েছে। ২০২১ সালের ওই অনুমতিপত্রে কয়েকটি শর্ত ছিল। এর মধ্যে একটি ছিল এক বছরের মধ্যে জমি ক্রয় সম্পাদন করতে হবে। আরেকটি হচ্ছে অকৃষি জমি কিনতে হবে। কিন্তু জমি ক্রয়ে জালিয়াতির আশ্রয় ও দুই ফসলি জমি ক্রয় করেছে করতোয়া সোলার লিমিটেড।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com