বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
লালমনিরহাট সদর উপজেলা ভ্যান ও ঠেলাগাড়ী শ্রমিক ইউনিয়ন, লালমনিরহাট- এর ১ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত জামায়াত নেতার মাদ্রাসা থেকে ১৩ বস্তা সরকারি ধানের বীজ উদ্ধার নরসিংদীতে লুঙ্গি আ’ট’কে ট্রেনের দুই বগির মাঝে পড়ে যুবকের মৃ’ত্যু তারাগঞ্জে গরুর পানি খাওয়ানোর হাউজে পড়ে শিশুর মৃত্যু বুড়িচংয়ে হত্যা মামলা তুলে নিতে নারী ও তাঁর স্বামীকে হত্যার হুমকি কুমিল্লা দাউদকান্দিতে ৩৫ কেজি গাঁজা উদ্বার,গ্রেপ্তার-১ সিআইডির জ্যাকেট-ওয়াকিটকি নিয়ে নারী অপহরণের চেষ্টা, গ্রেপ্তার ৭ ১০০ রাকাত নফল নামাজ পড়িয়ে তিন চোরকে ছেড়ে দিলেন এলাকাবাসী হাতীবান্ধায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৪ সদস্য গ্রে’প্তার, কারসহ বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার স্বরাষ্ট্র ছাড়লেন সালাহউদ্দিন, দায়িত্ব পেলেন এলজিআরডির
দেবীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধ: কৃষকের দুই বিঘা জমির বোরো ধান নষ্ট

দেবীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধ: কৃষকের দুই বিঘা জমির বোরো ধান নষ্ট

মনজু হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার :: পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক কৃষকের প্রায় দুই বিঘা জমির বোরো ধান নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীর দাবি, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও পুলিশ ও প্রতিপক্ষের গাফিলতির কারণে প্রায় ৬০ মণ ধান জমিতেই পচে যায়। এতে তিনি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এ ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলীয় ওই জমিতে জুয়েল রানার মা ফজিলা খাতুন চাষাবাদ করে আসছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, টেপরীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ রেজাউল করিম শতাধিক লোকজন নিয়ে জমি দখলের চেষ্টা করেন এবং মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে বিষয়টি আদালতে গড়ায়।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, গত আমন মৌসুমে ধান কাটার সময় রেজাউল করিম জুয়েল রানার বিরুদ্ধে মামলা করেন। ওই মামলায় পুলিশ তাকে আটক করে কারাগারে পাঠালে সেই সুযোগে প্রতিপক্ষ ধান কেটে নিয়ে যায়।
চলতি বোরো মৌসুমে জুয়েল রানা আবারও ওই জমিতে ধান চাষ করেন। তবে ধান কাটার সময় পুলিশ বাধা দেয়। পরে উভয় পক্ষ আদালতে আবেদন করলে বিচারক দুই পক্ষের উপস্থিতিতে ধান কেটে প্রয়োজনীয় খরচ বাদ দিয়ে বিক্রয়লব্ধ অর্থের অবশিষ্ট অংশ বার কাউন্সিলের সভাপতি ও সম্পাদকের কাছে জমা রাখার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেন।


অভিযোগ অনুযায়ী, আদালতের আদেশের কপি দুই দিনের মধ্যে পুলিশের কাছে পৌঁছালেও আরও চার দিন পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রমিক ঠিক করে। ধান কাটা ও মাড়াইয়ের খরচ কোনো পক্ষ বহন করতে রাজি না হওয়ায় আরও দুই দিন পর পুলিশ আদালতে প্রতিবেদন দেয় যে, ধান কেটে খরচ ওঠানো সম্ভব নয়। এ সময়ের মধ্যে মাঠে থাকা ধান নষ্ট হয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা খন্দকার আব্দুল মোন্নাফ ও ইদ্রিস আলী পালোয়ানসহ কয়েকজন জানান, দীর্ঘদিন ধরে জুয়েল রানা ওই জমিতে চাষাবাদ করে আসছেন। তাঁদের ভাষ্য, মালিকানা নিয়ে বিরোধ থাকলেও আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ধান কেটে তৃতীয় পক্ষের জিম্মায় রাখা উচিত ছিল। ফসল নষ্ট হওয়ায় শুধু একজন কৃষক নয়, দেশেরও ক্ষতি হয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে বিরোধের সমাধান সম্ভব ছিল।


ভুক্তভোগী জুয়েল রানা বলেন, “এই জমি দীর্ঘদিন ধরে আমাদের ভোগদখলে রয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও আমাদের কাছে আছে। প্রতিপক্ষ কাগজপত্র দেখাতে না পেরে জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা করছে। বোরো ধান চাষ করলেও আমাকে ধান কাটতে দেওয়া হয়নি। পরিকল্পিতভাবে আমাকে আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলা হয়েছে। আমি প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।”

এ বিষয়ে অভিযুক্ত রেজাউল করিমের বক্তব্য জানতে একাধিকবার তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com