বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
পরীক্ষার হলে প্রকাশ্যে নকলের ভিডিও ভাইরাল তাবিজের দেওয়ার কথা বলে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার দেবীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধ: কৃষকের দুই বিঘা জমির বোরো ধান নষ্ট পঞ্চগড়ের বোদায় ইউএনওর বিরুদ্ধে প্রায় দেড় কোটি টাকার উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ পারিবারিক কলহ থেকে হতাশা, রাজধানীতে তরুণ কনস্টেবলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু পঞ্চগড়ে ছোট ভাই হত্যা: বড় বোন গ্রেপ্তার, অনৈতিক সম্পর্কের জেরে হত্যার দাবি পুলিশের আদিতমারীতে ২৯৬ বোতল এস্কাফ সিরাপসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার মারামারি আর ফাউলে ইংল্যান্ডের স্বপ্ন ভেঙে ফাইনালে আর্জেন্টিনা কুমিল্লা দাউদকান্দি থানা পুলিশের অভিযানে পিকআপ ভ্যান ভর্তি ৪৭ কেজি গাঁজা উদ্বার আটক-১
দেবীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধ: কৃষকের দুই বিঘা জমির বোরো ধান নষ্ট

দেবীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধ: কৃষকের দুই বিঘা জমির বোরো ধান নষ্ট

মনজু হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার :: পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক কৃষকের প্রায় দুই বিঘা জমির বোরো ধান নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীর দাবি, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও পুলিশ ও প্রতিপক্ষের গাফিলতির কারণে প্রায় ৬০ মণ ধান জমিতেই পচে যায়। এতে তিনি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এ ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলীয় ওই জমিতে জুয়েল রানার মা ফজিলা খাতুন চাষাবাদ করে আসছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, টেপরীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ রেজাউল করিম শতাধিক লোকজন নিয়ে জমি দখলের চেষ্টা করেন এবং মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে বিষয়টি আদালতে গড়ায়।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, গত আমন মৌসুমে ধান কাটার সময় রেজাউল করিম জুয়েল রানার বিরুদ্ধে মামলা করেন। ওই মামলায় পুলিশ তাকে আটক করে কারাগারে পাঠালে সেই সুযোগে প্রতিপক্ষ ধান কেটে নিয়ে যায়।
চলতি বোরো মৌসুমে জুয়েল রানা আবারও ওই জমিতে ধান চাষ করেন। তবে ধান কাটার সময় পুলিশ বাধা দেয়। পরে উভয় পক্ষ আদালতে আবেদন করলে বিচারক দুই পক্ষের উপস্থিতিতে ধান কেটে প্রয়োজনীয় খরচ বাদ দিয়ে বিক্রয়লব্ধ অর্থের অবশিষ্ট অংশ বার কাউন্সিলের সভাপতি ও সম্পাদকের কাছে জমা রাখার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেন।


অভিযোগ অনুযায়ী, আদালতের আদেশের কপি দুই দিনের মধ্যে পুলিশের কাছে পৌঁছালেও আরও চার দিন পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রমিক ঠিক করে। ধান কাটা ও মাড়াইয়ের খরচ কোনো পক্ষ বহন করতে রাজি না হওয়ায় আরও দুই দিন পর পুলিশ আদালতে প্রতিবেদন দেয় যে, ধান কেটে খরচ ওঠানো সম্ভব নয়। এ সময়ের মধ্যে মাঠে থাকা ধান নষ্ট হয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা খন্দকার আব্দুল মোন্নাফ ও ইদ্রিস আলী পালোয়ানসহ কয়েকজন জানান, দীর্ঘদিন ধরে জুয়েল রানা ওই জমিতে চাষাবাদ করে আসছেন। তাঁদের ভাষ্য, মালিকানা নিয়ে বিরোধ থাকলেও আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ধান কেটে তৃতীয় পক্ষের জিম্মায় রাখা উচিত ছিল। ফসল নষ্ট হওয়ায় শুধু একজন কৃষক নয়, দেশেরও ক্ষতি হয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে বিরোধের সমাধান সম্ভব ছিল।


ভুক্তভোগী জুয়েল রানা বলেন, “এই জমি দীর্ঘদিন ধরে আমাদের ভোগদখলে রয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও আমাদের কাছে আছে। প্রতিপক্ষ কাগজপত্র দেখাতে না পেরে জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা করছে। বোরো ধান চাষ করলেও আমাকে ধান কাটতে দেওয়া হয়নি। পরিকল্পিতভাবে আমাকে আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলা হয়েছে। আমি প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।”

এ বিষয়ে অভিযুক্ত রেজাউল করিমের বক্তব্য জানতে একাধিকবার তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com