বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
সাহারপাড় চৌরাস্তা মোড়ে ট্রাক-কাভার ভ্যানের সংঘর্ষে হোটেল ভেঙে তছনছ পঞ্চগড়ে আমন ধানে পোকার আক্রমণ, বাড়ছে উৎপাদন খরচ; লোকসানের শঙ্কায় কৃষক লালমনিরহাটে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু মরুভূমির হাত থেকে দেশকে রক্ষায় খাল খনন ও নদীভাঙন এলাকায় মানুষের পাশে থাকার উদ্যোগ: প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ স্কুল ফিডিংয়ের দুধ চুরি, ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার দেওয়ানগঞ্জে ৩৫ বিজিবির অভিযানে সীমান্ত থেকে ভারতীয় ১৮৬ বোতল মদ উদ্ধার ভোটকেন্দ্র নিয়ে বিরোধ, সাদুল্লাপুরে দুই গ্রামের মুখোমুখি অবস্থান কাশিমপুরের হাতিমারা কলেজে বাউবি এইচ.এস.সি. প্রোগ্রামের বই বিতরণ, ওরিয়েন্টেশন ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত। লালমনিরহাটে চলন্ত বাসে সন্তান প্রসব! নবজাতকের নাম ‘আনাস হাসান’ দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা জোরদার লালমনিরহাটে পুলিশের মতবিনিময় সভা
সরকারি গাছ ও খাস জমি নিয়ে সাদুল্লাপুরে প্রশাসনিক ধোঁয়াশা

সরকারি গাছ ও খাস জমি নিয়ে সাদুল্লাপুরে প্রশাসনিক ধোঁয়াশা

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলা শহরে সরকারি খাস জমি ও কয়েকটি মেহগনি গাছের অবস্থান ও সংরক্ষণ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি রেকর্ডে জমির উল্লেখ থাকলেও সরেজমিনে তা শনাক্তকরণ নিয়ে ভিন্নমত দেখা দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এক অভিযোগকারী।

এ বিষয়ে প্রতিকার ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা চেয়ে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন যমুনা টেলিভিশন ও বাংলা ট্রিবিউনের গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি এবং শিক্ষানবিশ আইনজীবী মো. জিল্লুর রহমান মন্ডল পলাশ।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সাদুল্লাপুর মৌজার জেএল নং-৪১ এর বিআরএস ১ নম্বর খতিয়ানভুক্ত ৫৮৯ নম্বর দাগের ০.০০৫৬ একর সরকারি খাস জমিতে কয়েকটি মেহগনি গাছ রয়েছে। আবেদনকারীর দাবি, জমি ও গাছগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।

লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসের পূর্ববর্তী তদন্ত প্রতিবেদন ও নথিতে জমির অস্তিত্ব এবং গাছের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। তবে পরবর্তীতে সরেজমিন পরিমাপের সময় জমির অবস্থান শনাক্তে জটিলতার কথা জানানো হয়। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও নানা আলোচনা রয়েছে।

অভিযোগকারী জানান, পৃথক দুটি আবেদনের পর ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সরেজমিন তদন্ত করেন। পরবর্তীতে দাখিল করা প্রতিবেদনে জমি ও গাছের অস্তিত্বের বিষয় উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে গাছগুলো নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করলে সরকারি রাজস্ব আয় হতে পারে বলেও প্রতিবেদনে মত দেওয়া হয়।

এদিকে স্থানীয়দের দাবি, জমিতে থাকা বৃহদাকৃতির মেহগনি গাছগুলো বর্তমানে আশপাশের বসতবাড়ি, দোকানপাট ও সড়কের জন্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঝড়-বৃষ্টির সময়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও করছেন তারা।

অভিযোগকারী মো. জিল্লুর রহমান মন্ডল পলাশ বলেন, “সরকারি রেকর্ডভুক্ত সম্পদ যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে যাচাই হোক—এটাই আমার প্রত্যাশা। আদালতে চলমান জমিসংক্রান্ত বিরোধের আইনগত নিষ্পত্তিও আমি সম্মান করি।”

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জসিম উদ্দিন বলেন, “সরকারি খতিয়ানে খাস জমির তথ্য রয়েছে। তবে মাঠ পর্যায়ে পরিমাপের সময় জমির অবস্থান নির্ধারণে কিছু জটিলতা দেখা গেছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এছাড়া জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।”

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগটি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সরকারি রেকর্ডভুক্ত জমি ও গাছের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুত স্পষ্টতা আনা প্রয়োজন।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com