বিজ্ঞাপন:
 
সংবাদ শিরোনাম:
চরফ্যাশনে ভেসে আসা জাহাজ নিয়ে স্থানীয়দের বিরুদ্ধে মামলা, প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ‎ ঢাকা থেকে কুমিল্লা আসতেই উধাও ২০ কার্টন খেজুর লালমনিরহাটে বিয়ের অঙ্গীকার করে অস্বীকা : সেনাসদস্যের বাড়িতে ৪ দিন ধরে অনশনে তরুণী বিবিসি বাংলাকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে মাহদীর লিগ্যাল নোটিস জামায়াত নেতার ড্রয়িংরুমে মিলল মিনি পেট্রোল পাম্প লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার হাদির সঙ্গে কনটেন্ট ক্রিয়েটর কাফিকেও হত্যার নির্দেশ দেওয়া হয় চরফ্যাশনে ২৮৮ পরিবার পেল ফ্যামিলি কার্ড,‎ দরিদ্র পরিবারের মুখে হাসি প্রাথমিক বৃত্তিতে ৮০–২০% কোটা: মেধার স্বীকৃতি নাকি শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন বৈষম্যের সূচনা? ‎কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির প্রতিবাদ: পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রকল্পে নেতাদের জড়ানোর অভিযোগ ভিত্তিহীন
মা ও স্ত্রী–সন্তান নিয়ে হাজির, কি ঘটেছিল সেদিন জানালেন রিপন মিয়া

মা ও স্ত্রী–সন্তান নিয়ে হাজির, কি ঘটেছিল সেদিন জানালেন রিপন মিয়া

তাহমিনা আক্তার,ঢাকা: অনলাইন দুনিয়ায় টানা তিন দিন ধরে আলোচনায় রয়েছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া। মঙ্গলবার একটি বেসরকারি টেলিভিশনে প্রচারিত প্রতিবেদনে তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তোলা হয়—বলা হয়, তিনি বাবা-মায়ের খোঁজ রাখেন না, স্ত্রী-সন্তানদের অস্বীকার করেন। এরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় তুমুল আলোচনা–সমালোচনা।

বুধবার ঢাকায় হাজির হন রিপন মিয়া। সঙ্গে ছিলেন তাঁর মা, স্ত্রী ও দুই সন্তান। সেদিনের পুরো ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কখনো মুচকি হেসেছেন, কখনো পরিবারের সদস্যদের জড়িয়ে আবেগে কেঁদেছেন।

রিপন মিয়া জানান, “ঘুম থেকে উঠে চা খাইতে গেছিলাম, হঠাৎ কয়েকজন সাংবাদিক আইসা ক্যামেরা ধরল। মজা করতে বলল, আমি ছন্দ বলে মজা করছিলাম। কিন্তু একপর্যায়ে ওরা আমার পরিবার নিয়ে নানা উল্টাপাল্টা প্রশ্ন করতে থাকে। আগে জানায়নি, তারা আমার বাড়ি গিয়েছিল। পরে টিভিতে দেখি, কথাগুলো কেটে কেটে দেখানো হয়েছে। আমি তো সব বলছিলাম, কিন্তু ভিডিওতে সবটা রাখে নাই।”

স্ত্রী-সন্তান অস্বীকারের অভিযোগ প্রসঙ্গে রিপন বলেন, “দেড় বছর আগে ভাইসাবের ভিডিওতে আমি বিয়া–বউ নিয়ে কথা কইছিলাম। কিন্তু ওই সাংবাদিকরা যখন বারবার একই প্রশ্ন করছিল, তখন আমি তেড়ামি করে বলছিলাম, ‘আমি বিয়া করিনি।’ কে জানত, এটা এমন ঝড় তুলবে!”

বাবা-মাকে না দেখার অভিযোগ নিয়ে রিপনের দাবি, তিনি নিজেই তাঁদের জন্য আধাপাকা ঘর বানাচ্ছেন। “তিনটা রুম করছি—একটায় আমি বউ–বাচ্চা নিয়া থাকব, আরেকটায় আব্বু–আম্মু থাকবেন। আমি কেমনে দেখি না উনাদের? কোন মাসে টাকা দিই নাই, এইটা জিজ্ঞেস করলে ভালো হইত,” বলেন তিনি।

পেশায় কাঠমিস্ত্রি রিপন জানান, ভিডিও বানানো তাঁর নেশা, পেশা নয়। “ভাই, আমি কাঠমিস্ত্রি মানুষ। আল্লাহর রহমতে সব পারি। কনটেন্ট না বানাইলেও আমার সংসার চলবে। প্রয়োজনে ভিডিও আর বানামু না,” বলেন তিনি।

রিপনের মা ফাতেমা বেগম জানান, প্রতিবেশীদের প্ররোচনাতেই ভুল বোঝাবুঝির সূত্রপাত। তাঁর ভাষায়, “অনেকে কয়, ‘তোমার ছেলে লাখ লাখ টাকা কামায়, তোমারে কী দিছে।’ আমি ভাবছিলাম সাংবাদিকরা আইছে আমাদের সাহায্য করতে। বুঝি নাই, তারা উল্টো আমাদের বিপদে ফেলবে। লোভে পড়ে আমার ছেলেরে কষ্ট দিছি।”

তিনি আরও বলেন, রিপন একা নন—তাঁর অন্য ছেলেরাও বাবা-মায়ের খোঁজখবর রাখেন। “আমরা গরিব মানুষ, হের (রিপন) বাপ কাজ করতে পারে না। তিন ছেলে না দেখলে আমরা চলব কেমনে?”

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার প্রচারিত প্রতিবেদনে রিপনের মা–এর বক্তব্য তুলে ধরা হয়, যেখানে তিনি বলেছিলেন, “আমরা গরিব, তাই হয়তো ও এখন পরিচয় দিতে চায় না।” ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় ব্যাপক বিতর্ক।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com