বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
উপজেলার জামায়াত আমিরের বিরুদ্ধে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ/চেষ্টার অভিযোগ গণঅভ্যুত্থানের ২ বছর,জনগণের কাছে অধরাই থেকে যাচ্ছে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা সাদুল্লাপুরে রাত হলেই জমে ‘ফরডাবুর’ জুয়ার আসর, চলে মাদক সেবন চরফ্যাশনে জমির সীমানা নির্ধারণে বাধা দিতে গিয়ে হামলার শিকার, নারীসহ আহত ৩ পঞ্চগড়ে নারীর ঘর থেকে আটক জামায়াত সমর্থক, চার বিয়ের দাবিতে চাঞ্চল্য সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজীর বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করলেন, গাজীপুর ১ আসনের এমপি মজিবুর রহমান। কর্মজীবনের অবসানে সম্মাননা ও ভালোবাসায় সিক্ত তিন গুণী শিক্ষক পরিবার বলছে হ’ত্যা, গুঞ্জন আত্মহ’ত্যা: মহাসড়কে লা’শ নিয়ে বিচার দাবি শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে সরাসরি ফাঁসির মঞ্চে নেওয়া হবে: নাহিদ অতিরিক্ত বিলের ‘মিথ্যা তথ্য’ ছড়ালে আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি, পরে বক্তব্য সংশোধন বিদ্যুৎ বিভাগের
গণঅভ্যুত্থানের ২ বছর,জনগণের কাছে অধরাই থেকে যাচ্ছে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা

গণঅভ্যুত্থানের ২ বছর,জনগণের কাছে অধরাই থেকে যাচ্ছে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা

অনলাইন ডেস্ক: জুলাই আন্দোলনের মূল চাওয়া ও জনআকাঙ্ক্ষা ছিল পরিবর্তনের। ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর পতিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ থেকে পাশ্ববর্তী দেশে পালিয়ে যাওয়া, নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসার পর জনমনে প্রশ্ন উঠছে পরিবর্তনটা কি আদৌ হয়েছে? এমন প্রশ্ন যেমন সাধারণ জনগণের, পাশপাশি রাজনীতিবিদ, বিশেষজ্ঞসহ অন্যান্যদের। সাধারণ মানুষ দেখছে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও অনিয়ম, চাঁদাবাজি, দলীয়করণ ও দুর্নীতির সংস্কৃতি এখনও বহাল। যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে হতাশা ও আলোচনা চলছে।

এদিকে, সংবিধান সংশোধন ও রাষ্ট্র সংস্কার ইস্যুতে বিএনপির সঙ্গে জামায়াত-এনসিপির বনিবনা হচ্ছে না। সবমিলিয়ে দেশে একটি কাঙ্খিত পরিবর্তনের নিকটতম সময়ের মধ্যেই সংঘাতময় রাজনীতির আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে উৎফুল্ল হচ্ছে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। একই সঙ্গে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কয়েকটি বহিঃশক্তির নাক গলানোর প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তিগুলোর মধ্যে চলমান মতপার্থক্য ও বিভেদ একটি জবাবদিহিমূলক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ পুনর্গঠনের অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের মতে, গণ-অভ্যুত্থান এবং পরিবর্তিত একটি রাষ্ট্র গঠনের সঙ্গে জড়িত শক্তিগুলোর মধ্যে বিভেদ যত বাড়বে, পতিত ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থা ফিরে আসার সম্ভাবনা ততই প্রবল হবে। ইতোমধ্যে পতিত আওয়ামী লীগ প্রধান হাসিনা চলতি বছরের শেষ মাসে অর্থাৎ বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আসার হুংকারও দিচ্ছেন, যা সম্মৃদ্ধ ও স্থিতিশীল বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন বাস্তবায়নের অন্তরায় বলে মনে করেন তারা।

সংশ্লিষ্টদের মতে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পার হলেও রাষ্ট্রীয় সংস্কার, বিচার প্রক্রিয়া, জবাবদিহিতা ও জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন নিয়ে সরকার ও বিরোধী জোটের মধ্যে রাজনৈতিক অসন্তোষ বিরাজ করছে। সংবিধান ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের ক্ষেত্রে বিরোধী দলগুলোকে বাদ দিয়ে একতরফাভাবে সরকারি দলের বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠন, গণভোট মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে কেবল মৌখিক প্রতিশ্রুতি প্রদান, জবাবদিহিতা ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে ঐকমত্যহীনতা, জুলাই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচার প্রক্রিয়া ও ট্রাইব্যুনালের রায়ে শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের অসন্তুষ্টি, জুল্ইা গণ অভূত্থানের সঙ্গে জড়িতদের উপর সরকারি দলের দমনপীড়নের মতো বিষয়গুলো রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তাপ তৈরি করছে। তারা বলছেন, বর্তমান নির্বাচিত সরকার যদি বিরোধী দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদ সচল করতে না পারে এবং জুলাই গণহত্যার আসামিদের বিচারিক রায় কার্যকর করতে ব্যর্থ হয়, তবে রাজনৈতিক অঙ্গনে পুনরায় দীর্ঘমেয়াদী অস্থিরতা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাত্র দুই বছরের মাথায় ওই আন্দোলনে পক্ষের শক্তিগুলো এখন বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি এই তিনটি দল এখন তিন দিকে। বিএনপি নিজেদের মতো করে সরকার পরিচালনা ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করার কথা বলছে। ফলে ক্ষমতাসীন দলটির সঙ্গে জামায়াত ও এনসিপির দূরত্ব দিন দিন বেড়েই চলেছে। এমনকি বিএনপির সঙ্গে এনসিপির নেতাকর্মীদের যেমন সংঘর্ষের ঘটনাও ইদানীং ঘটছে অপরদিকে তাল মিলিয়ে বিএনপির ছাত্র সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যেও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে।

সর্বশেষ, মঙ্গলবার (০৪ জুলাই) বেলা ১১টার দিক থেকে দিনব্যাপী পুরান ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদল ও শিবির দফায় দফায় সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এক পর্যায়ে জগন্নাথের এই সংঘর্ষ ঢাকা আলিয়া মাদরাসা ও ঢাকা কলেজে সংক্রমিত হয়। ছাত্রদল ও শিবিরের এই সংঘর্ষে শতাধিক শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, আহতরা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য গেলে হাসপাতালের ভেতরে প্রবেশ করে খুঁজে খুঁজে আহতদের ওপর হামলা করা হয়।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জুলাই ‘স্পিরিট বা ‘জুলাই চেতনা’ নষ্ট হলে গণতন্ত্রের ধারা ফিরিয়ে আনতে গত প্রায় দেড়যুগের আন্দোলন ও আত্মত্যাগের সুফল দেশের জনগণ পাবে না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরীর মতে, জুলাই শক্তিগুলোর মধ্যে অনৈক্য দেশে ধ্বংস ডেকে আনবে। কথায় আছে ঐক্যবদ্ধ হলে জয়, বিভক্ত হলে পতন। এজন্য ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তিগুলো ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

দলগুলোর মধ্যে সংঘাতের ঘটনায় শঙ্কা প্রকাশ করে সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, দলগুলোর মধ্যে মতদ্বৈততা হওয়া স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কিন্তু তা দ্বন্দ্ব বা হানাহানিতে রূপ নেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সহিংসতা গণতান্ত্রিক ভাষা নয়। তারা যদি দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয়, তাহলে অন্যরা ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করবে, যা কারও জন্যই শুভকর নয়।

সূত্রমতে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের রক্তক্ষয়ী ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তৎকালীন ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। পরবর্তীতে দীর্ঘ রাষ্ট্রীয় পুনর্গঠন প্রক্রিয়া, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার উদ্যোগ, ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব অধ্যায়ের জন্ম দিয়েছে। এই দুই বছরের পরিক্রমায় রাষ্ট্র সংস্কারের গতিপ্রকৃতি, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার, নতুন নির্বাচনোত্তর রাজনৈতিক দৃশ্যপট, জুলাই আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারীদের সাথে আচরণ এবং জবাবদিহি নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে বর্তমান সরকার ও বিরোধী দলগুলোর অবস্থান এখন অনেকটা বিপরীত মেরুতে।

জানা গেছে, অভ্যুত্থান পরবর্তী রাষ্ট্র পুনর্গঠনের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার ছিল ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’। ১১টি পৃথক সংস্কার কমিশনের দীর্ঘ ৯ মাসের পর্যালোচনার পর দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যমতের ভিত্তিতে এই সনদ চূড়ান্ত করা হয়েছিল। তবে বর্তমান দুই বছরের মাথায় এসে এর বাস্তবায়ন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে। জুলাই সনদ অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি বিশেষ ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’গঠনের কথা ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে এই পরিষদের প্রথম অধিবেশন বসার আইনী বাধ্যবাধকতা থাকলেও, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে (১৫ মার্চ) রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে এই অধিবেশন আহ্বান করা সম্ভব হয়নি। জুলাই অভ্যুত্থানের প্রধানতম দাবি ছিল গণহত্যার বিচার এবং আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ ১৫ বছরের দুঃশাসনের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। বিগত দুই বছরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এবং বিশেষ বিচারিক প্রক্রিয়া চালু করা হলেও এর অগ্রগতি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে অনেক আহত যোদ্ধা এখনো সঠিক চিকিৎসা এবং পুনর্বাসনের সুযোগ পাননি বলে রাজপথে আন্দোলন এখনো চলছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মোস্তফা ভূইয়া বলেন, মনে রাখতে হবে রাষ্ট্রকে এবার জনগণের হাতে ফিরিয়ে না দিলে ইতিহাস আবার সাক্ষ্য দেবে, গণ-অভ্যুত্থানে সরকারের পরিবর্তন হলেও পরিবর্তিত ব্যবস্থায় গণমানুষের জায়গা তৈরি হয়নি। এখনই সময়, অভ্যুত্থান-পরবর্তী সরকারের ভেতরে গণ-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানোর।

বিরোধী দলগুলো বলছে, নির্বাচনের মাধ্যমে কেবল ক্ষমতার বদল হয়েছে, কিন্তু গণঅভূত্থানের আকাংখা বাস্তবায়ন হয়নি। আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়ার অভিযোগের পাশাপাশি এই দলটির বিশাল ক্যাডার বাহিনী ও সুবিধাভোগী আমলাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেয়ার সঙ্গে সরকারি দল জড়িত। তাছাড়া, নিত্য পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, বেকারত্ব, তীব্র জ্বালানি সংকটের মতো সমস্যা গুলোর সমাধানে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নে সরকার সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের নামে শুধু মৌখিক প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। গণভোটে জনগণ রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে রায় দিলেও সরকার তা কার্যকর না করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আমাদের তিনটি দাবি ছিল-বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন। নির্বাচন হয়েছে কিন্তু বিচার ও সংস্কার এখনো জনগণ পায়নি। গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে। কিন্তু সরকার সেই রায় বাস্তবায়ন না করে জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।’

ঐক্যের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে নাহিদ বলেন, ‘সরকারের কর্মকাণ্ডে সেই আন্তরিকতার কোনো আলামত দেখা যাচ্ছে না। বরং সরকারি দলের লোকজন সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাচ্ছে। বিভিন্নস্থানে প্রকাশ্যে হামলা চালাচ্ছে।’

জানতে চাইলে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকরি সেক্রেটারি জেনারেল, ১১ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ও সাবেক এমপি হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, ‘যেই প্রত্যাশা নিয়ে জনগণ জুলাই আন্দোলনে তাদের জীবন ও রক্ত দিয়েছে সেটি পূরণ হয়নি। প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটের পক্ষে রায় দিলেও সরকার সেটি মানছে না। বিরোধীমতের উপর অতীতের ন্যায় নির্যাতন নিপীড়ন চালানো হচ্ছে।’

জুলাই অভূত্থান প্রসঙ্গে এলজিআরডি মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘বর্তমান বিএনপি সরকার জুলাইয়ের আকংখাকে বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। আমি মনে করি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত। জুলাই আন্দোলন যে নতুন রাষ্ট্র গঠনের সুযোগ সৃষ্টি করেছে, তা বাস্তবায়ন করতে হবে। আমাদের আস্থা ও বিশ্বাস আছে আমরা ন্যায় ও ইনসাফের রাষ্ট্র গঠন করতে পারব।’


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com