বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
হাসপাতালে চিকিৎসকদের ওপর ছাত্রদলের ‘হামলার’ প্রতিবাদ শিবিরের অর্পিত সম্পত্তি কাণ্ডের প্রশ্নে উত্তপ্ত সেই ভাইরাল ভিডিও, বাস্তবে কী ঘটেছিল? ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ একজন হারালেন চোখ, আরেকজনের মাথায় ৫ সেলাই সাংবাদিক হেনস্তার পর সাদুল্লাপুরের সেই এসিল্যান্ডকে পঞ্চগড়ের বোদায় বদলি চট্টগ্রামে গ্রেপ্তারের একদিন পর যুবলীগ নেতার মৃত্যু মসজিদের ভেতর থেকে ইমামের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, কক্ষে মিললো চিরকুট আরেক হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মমতাজকে মেসিকেও ছাড়ালেন রোনালদো, বিশ্বকাপে নতুন রেকর্ড কবিরহাটে পিকআপভ্যানের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত দুই ৪ বছরের অনার্স চার বছরেই শেষ করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী
বিয়ের জন্য চাপ দেওয়ায় নিজের সর্বনাশ করলেন যুবক

বিয়ের জন্য চাপ দেওয়ায় নিজের সর্বনাশ করলেন যুবক

পাবনা প্রতিনিধি: পাবনার বেড়ায় পরিবার থেকে বিয়ের চাপ দেওয়ায় নিজের বিশেষ অঙ্গ কেটে ফেলেছেন নাজমুল নামের এক যুবক। বুধবার (২৬ জুন) উপজেলার কৈটলা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মানিকনগর গ্রামে ঘটনাটি ঘটলেও সম্প্রতি জানাজানি হয়েছে। নাজমুল ওই গ্রামের মিন্টু মোল্লার ছেলে।

পরিবার ও প্রতিবেশী সূত্রে জানা গেছে, নাজমুল পেশায় একজন ভেকু চালক। তার তিন বোনের মধ্যে বড় বোনের বিয়ে হয়েছে। নাজমুল মেঝ, তার ছোট আরও দুটি বোন অবিবাহিত রয়েছে। তাকে পরিবার থেকে মাঝে মধ্যে বিয়ের কথা বলা হলে এতে সে রাজি হতো না। ঘটনার দিন দুপুরে তার পরিবার থেকে বিয়ের কথা বলা হলে সে বলে, আগে আমার বোনদের বিয়ে দিয়ে তারপর আমি বিয়ে করব। এ নিয়ে একটু কথাকাটাকাটি হয়।

পরে নাজমুল বাজার থেকে ব্লেড কিনে নিজেই নিজের পুরুষাঙ্গ কেটে বাথরুমে ফেলে দেয়। কিছুক্ষণ পর তার চিৎকারে সবাই তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

পরে জানা যায়, লিঙ্গ কাটার পর ছয় ঘণ্টার মধ্যে অপারেশন করা গেলে তা জোড়া লাগানো সম্ভব। এরপর বাথরুম থেকে বিছিন্ন অন্ডকোষ ও লিঙ্গ উদ্ধার করে ঢাকায় নিয়ে গেলেও তার অপারেশন করা সম্ভব হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন প্রতিবেশীরা জানায়, নাজমুলকে তার নানা, দুলাভাই ও তার মা প্রায়ই বিয়ের কথা বলত, এতে সে রাজি হতো না। তবে ঘটনার দিন কেউ তাকে হিজরা বলেছিল। সে রাগেই নিজের লিঙ্গ কেটে ফেলতে পারে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কৈটলা ইউনিয়নের ৯নং ইউপি সদস্য মো. রফিক জানান, ঘটনার পর তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে গেলে পুলিশ কেস হওয়ায় হাসপাতালে তাকে তাৎক্ষণিক ভর্তি করা সম্ভব হয়নি। পরে ভর্তি করা গেলেও ছয় ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার কারণে তার বিশেষ অঙ্গ জোড়া লাগানো সম্ভব হয়নি। নাজমুল এখন পাবনা সদর হাসপাতালে ভর্তি আছে।

নাজমুলের বাবা জানান, যুবক ছেলেকে সবাই বিয়ের কথা বলবে এটাই স্বাভাবিক। ওর নানা ও দুলাভাই মাঝে মধ্যে বিয়ের কথা বলতো। তবে ঘটনার দিন আমি বাড়ি ছিলাম না। কী কারণে এমন কাজ করল আমরা বুঝতে পারছি না।

পাবনা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. জাহিদুল ইসলাম বলেন, নাজমুলের অস্ত্রপচার ঢাকা মেডিকেল কলেজেই সম্পন্ন হয়েছে। এখন সে আশঙ্কামুক্ত।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com