বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
দক্ষিণ আইচা কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত দেশীয় ফলের বৈচিত্র্যে পঞ্চগড়ে শুরু জাতীয় ফল মেলা ২০২৬ মাইকে ঘোষণা দিয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, সড়কে মিলল হাত-পা বাঁধা মরদেহ বিরিয়ানির লোভে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, গ্রেপ্তার ২ রেকর্ড টানা ১৪ বার গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউট পর্বে ব্রাজিল হাসপাতালে চিকিৎসকদের ওপর ছাত্রদলের ‘হামলার’ প্রতিবাদ শিবিরের অর্পিত সম্পত্তি কাণ্ডের প্রশ্নে উত্তপ্ত সেই ভাইরাল ভিডিও, বাস্তবে কী ঘটেছিল? ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ একজন হারালেন চোখ, আরেকজনের মাথায় ৫ সেলাই সাংবাদিক হেনস্তার পর সাদুল্লাপুরের সেই এসিল্যান্ডকে পঞ্চগড়ের বোদায় বদলি
গাইবান্ধার দুই স্কুলে এসএসসি পরীক্ষায় শূন্য পাসের রেকর্ড

গাইবান্ধার দুই স্কুলে এসএসসি পরীক্ষায় শূন্য পাসের রেকর্ড

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার দুইটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ফলাফল শূন্য! সাঘাটা উপজেলার গরিদাহা উচ্চ বিদ্যালয় ও গোবিন্দগঞ্জের বিশ্বনাথপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের মোট ৩০ জন শিক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ হয়নি। অথচ দুই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক রয়েছেন ২২ জন। একজনও পাস না করায় শিক্ষার মান, শিক্ষকতার দায় এবং তদারকির প্রশ্নে চরম উদ্বেগ ছড়িয়েছে স্থানীয়ভাবে। শিক্ষা কর্মকর্তারা বলছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) বিষয়টি মোবাইল ফোনে নিশ্চিত করেছেন জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আতাউর রহমান।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গরিদাহা উচ্চ বিদ্যালয়টির ২৪ জন পরিক্ষার্থীর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের ১০ জন এবং মানবিক বিভাগের ছিল ১৪ জন শিক্ষার্থী। তাদের একজনও পাস করেনি। বিদ্যালয়টি এমপিও ভুক্ত হয় ২০০০ সালে। যেখানে বর্তমানে ১৭ জন শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে শিক্ষকের সংখ্যা ১২ জন।

অন্যদিকে, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার “বিশ্বনাথপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী ছিল ৬ জন। তারা সবাই মানবিক বিভাগের। বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত হয় ২০২২ সালে। বিদ্যালয়টির ১২ জন শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে শিক্ষক ১০ জন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে গরিদাহা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছা: শাহেদা বেগম মোবাইল ফোনে বলেন, ‘এবারের প্রশ্ন অনেক হার্ড (কঠিন) হয়েছিল। এজন্য সবাই ফেল করেছে। সবাই একটি, দুইটি করে বিষয়ে ফেল করেছে। এখনো মার্কশিট বের করিনি, এজন্য কে কোন বিষয়ে ফেল করেছে এখনি বলতে পারছিনা’। এর পরেই ফোনটি কেটে যায়। পরে তাকে আবারো ফোন করা হলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

জানতে চাইলে “বিশ্বনাথপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইলিয়াস হোসাইন ফেল করা প্রশ্নে বলেন, এটি আমার বিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রেশন অনুমোদিত এসএসসির প্রথম ব্যাচ। আমরা ২৩ সালের নভেম্বর বোর্ডের অনুমতি পেয়েছি। তার আগে মার্চেই রেজিস্ট্রেশন শেষ হয়েছে। ফলে পরীক্ষার্থী সংখ্যা এবং তাদের ফলাফলের এমন অবস্থা।

তিনি বলেন, ৬ জনের একজন গণিতে এবং বাকি ৫ জন দুই তিনটি করে বিষয়ে ফেল করেছে।

সাঘাটা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আহসান হাবীব বলেন, গরিদাহা উচ্চ বিদ্যালয়ে কেউই পাস করেনি বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি।

শতভাগ ফেল প্রসঙে জানতে চেয়ে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ,কে, এম মামুনুর রশিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি মোবাইল ফোনে বলেন, “আমি ব্যস্ত আছি, পরে কথা বলি। এসময় বিশ্বনাথপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন পরীক্ষার্থীও পাস করেনি বিষয়টি আপনি জানেন কি-না? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন” আমি এখনো জানিনা”।

জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আতাউর রহমান বলেন, কোনো বিদ্যালয়ই পরিক্ষার ফলাফলে শতকরা শূন্যের হারের বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। গাইবান্ধার দুইটি প্রতিষ্ঠালে শতভাগ পরিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ার ব্যাপারে বোর্ড থেকে নোটিশ দেওয়া হবে। আমরা প্রধান শিক্ষকসহ শিক্ষার্থীরা ফেল করা বিষয়ের সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের জবাব দিতে বলবো।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com